সূরা ৭৮ — আন নাবা
| عَمَّ یَتَسَآءَلُوۡنَ ۚ﴿۱﴾ |
| ১. এরা কি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করছে? |
| عَنِ النَّبَاِ الۡعَظِیۡمِ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. সেই বড় খবরটা সম্পর্কে কি, |
| الَّذِیۡ ہُمۡ فِیۡہِ مُخۡتَلِفُوۡنَ ؕ﴿۳﴾ |
| ৩. যে ব্যাপারে এরা নানান ধরনের কথা বলে ও ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে ফিরছে? |
| کَلَّا سَیَعۡلَمُوۡنَ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. কখখনো না, শীঘ্রই এরা জানতে পারবে। |
| ثُمَّ کَلَّا سَیَعۡلَمُوۡنَ ﴿۵﴾ |
| ৫. হ্যাঁ, কখখনো না, শীঘ্রই এরা জানতে পারবে। |
| اَلَمۡ نَجۡعَلِ الۡاَرۡضَ مِہٰدًا ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. একথা কি সত্য নয়, আমি যমীনকে বিছানা বানিয়েছি? |
| وَّ الۡجِبَالَ اَوۡتَادًا ﴿۪ۙ۷﴾ |
| ৭. পাহাড়গুলোকে গেঁড়ে দিয়েছি পেরেকের মতো? |
| وَّ خَلَقۡنٰکُمۡ اَزۡوَاجًا ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. তোমাদের (নারী ও পুরুষ) জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি? |
| وَّ جَعَلۡنَا نَوۡمَکُمۡ سُبَاتًا ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. তোমাদের ঘুমকে করেছি শান্তির বাহন, |
| وَّ جَعَلۡنَا الَّیۡلَ لِبَاسًا ﴿ۙ۱۰﴾ |
| ১০. রাতকে করেছি আবরণ |
| وَّ جَعَلۡنَا النَّہَارَ مَعَاشًا ﴿۪۱۱﴾ |
| ১১. এবং দিনকে জীবিকা আহরণের সময়? |
| وَّ بَنَیۡنَا فَوۡقَکُمۡ سَبۡعًا شِدَادًا ﴿ۙ۱۲﴾ |
| ১২. তোমাদের ওপর সাতটি মজবুত আকাশ স্থাপন করেছি |
| وَّ جَعَلۡنَا سِرَاجًا وَّہَّاجًا ﴿۪ۙ۱۳﴾ |
| ১৩. এবং একটি অতি উজ্জ্বল ও উত্তপ্ত বাতি সৃষ্টি করেছি? |
| وَّ اَنۡزَلۡنَا مِنَ الۡمُعۡصِرٰتِ مَآءً ثَجَّاجًا ﴿ۙ۱۴﴾ |
| ১৪. আর মেঘমালা থেকে বর্ষণ করেছি অবিরাম বৃষ্টিধারা, |
| لِّنُخۡرِجَ بِہٖ حَبًّا وَّ نَبَاتًا ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. যাতে তার সাহায্যে উৎপন্ন করতে পারি শস্য, শাক সবজি |
| وَّ جَنّٰتٍ اَلۡفَافًا ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. ও নিবিড় বাগান |
| اِنَّ یَوۡمَ الۡفَصۡلِ کَانَ مِیۡقَاتًا ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. নিঃসন্দেহে বিচারের দিনটি নির্ধারিত হয়েই আছে। |
| یَّوۡمَ یُنۡفَخُ فِی الصُّوۡرِ فَتَاۡتُوۡنَ اَفۡوَاجًا ﴿ۙ۱۸﴾ |
| ১৮. যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তোমরা দলে দলে বের হয়ে আসবে। |
| وَّ فُتِحَتِ السَّمَآءُ فَکَانَتۡ اَبۡوَابًا ﴿ۙ۱۹﴾ |
| ১৯. আকাশ খুলে দেয়া হবে, ফলে তা কেবল দরজার পর দরজায় পরিণত হবে। |
| وَّ سُیِّرَتِ الۡجِبَالُ فَکَانَتۡ سَرَابًا ﴿ؕ۲۰﴾ |
| ২০. আর পর্বতমালাকে চলমান করা হবে, ফলে তা মরীচিকায় পরিণত হবে। |
| اِنَّ جَہَنَّمَ کَانَتۡ مِرۡصَادًا ﴿۪ۙ۲۱﴾ |
| ২১. আসলে জাহান্নাম একটি ফাঁদ। |
| لِّلطَّاغِیۡنَ مَاٰبًا ﴿ۙ۲۲﴾ |
| ২২. বিদ্রোহীদের আবাস। |
| لّٰبِثِیۡنَ فِیۡہَاۤ اَحۡقَابًا ﴿ۚ۲۳﴾ |
| ২৩. সেখানে তারা যুগের পর যুগ পড়ে থাকবে। |
| لَا یَذُوۡقُوۡنَ فِیۡہَا بَرۡدًا وَّ لَا شَرَابًا ﴿ۙ۲۴﴾ |
| ২৪. সেখানে তারা কোন রকম ঠাণ্ডা এবং পানযোগ্য কোন জিনিসের স্বাদই পাবে না। |
| اِلَّا حَمِیۡمًا وَّ غَسَّاقًا ﴿ۙ۲۵﴾ |
| ২৫. গরম পানি ও ক্ষতঝরা ছাড়া |
| جَزَآءً وِّفَاقًا ﴿ؕ۲۶﴾ |
| ২৬. (তাদের কার্যকলাপের) পূর্ণ প্রতিফল। |
| اِنَّہُمۡ کَانُوۡا لَا یَرۡجُوۡنَ حِسَابًا ﴿ۙ۲۷﴾ |
| ২৭. তারা কোন হিসেব-নিকেশের আশা করতো না। |
| وَّ کَذَّبُوۡا بِاٰیٰتِنَا کِذَّابًا ﴿ؕ۲۸﴾ |
| ২৮. আমার আয়াতগুলোকে তারা একেবারেই মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল। |
| وَ کُلَّ شَیۡءٍ اَحۡصَیۡنٰہُ کِتٰبًا ﴿ۙ۲۹﴾ |
| ২৯. অথচ প্রত্যেকটি জিনিস আমি গুণে গুণে লিখে রেখেছিলাম। |
| فَذُوۡقُوۡا فَلَنۡ نَّزِیۡدَکُمۡ اِلَّا عَذَابًا ﴿٪۳۰﴾ |
| ৩০. এখন মজা বুঝ, আমি তোমাদের জন্য আযাব ছাড়া কোন জিনিসে আর কিছুই বাড়াবো না। |
| اِنَّ لِلۡمُتَّقِیۡنَ مَفَازًا ﴿ۙ۳۱﴾ |
| ৩১. অবশ্যি মুত্তাকীদের জন্য সাফল্যের একটি স্থান রয়েছে। |
| حَدَآئِقَ وَ اَعۡنَابًا ﴿ۙ۳۲﴾ |
| ৩২. বাগ-বাগিচা, আঙুর, |
| وَّکَوَاعِبَ اَتۡرَابًا ﴿ۙ۳۳﴾ |
| ৩৩. নবযৌবনা সমবয়সী তরুণীবৃন্দ |
| وَّ کَاۡسًا دِہَاقًا ﴿ؕ۳۴﴾ |
| ৩৪. এবং উচ্ছসিত পানপাত্র। |
| لَا یَسۡمَعُوۡنَ فِیۡہَا لَغۡوًا وَّ لَا کِذّٰبًا ﴿ۚ۳۵﴾ |
| ৩৫. সেখানে তারা শুনবে না কোন বাজে ও মিথ্যা কথা। |
| جَزَآءً مِّنۡ رَّبِّکَ عَطَآءً حِسَابًا ﴿ۙ۳۶﴾ |
| ৩৬. প্রতিদান ও যথেষ্ট পুরস্কার তোমাদের রবের পক্ষ থেকে, |
| رَّبِّ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ وَ مَا بَیۡنَہُمَا الرَّحۡمٰنِ لَا یَمۡلِکُوۡنَ مِنۡہُ خِطَابًا ﴿ۚ۳۷﴾ |
| ৩৭. সেই পরম করুণাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে যিনি পৃথিবী ও আকাশসমূহের এবং তাদের মধ্যবর্তী প্রত্যেকটি জিনিসের মালিক, যার সামনে কারো কথা বলার শক্তি থাকবে না। |
| یَوۡمَ یَقُوۡمُ الرُّوۡحُ وَ الۡمَلٰٓئِکَۃُ صَفًّا ؕ٭ۙ لَّا یَتَکَلَّمُوۡنَ اِلَّا مَنۡ اَذِنَ لَہُ الرَّحۡمٰنُ وَ قَالَ صَوَابًا ﴿۳۸﴾ |
| ৩৮. যেদিন রূহ ও ফেরেশতারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে। পরম করুণাময় যাকে অনুমতি দেবেন এবং যে ঠিক কথা বলবে, সে ছাড়া আর কেউ কথা বলবে না। |
| ذٰلِکَ الۡیَوۡمُ الۡحَقُّ ۚ فَمَنۡ شَآءَ اتَّخَذَ اِلٰی رَبِّہٖ مَاٰبًا ﴿۳۹﴾ |
| ৩৯. সেদিনটি নিশ্চিতভাবেই আসবে। এখন যার ইচ্ছা নিজের রবের দিকে ফেরার পথ ধরুক। |
| اِنَّاۤ اَنۡذَرۡنٰکُمۡ عَذَابًا قَرِیۡبًا ۬ۚۖ یَّوۡمَ یَنۡظُرُ الۡمَرۡءُ مَا قَدَّمَتۡ یَدٰہُ وَ یَقُوۡلُ الۡکٰفِرُ یٰلَیۡتَنِیۡ کُنۡتُ تُرٰبًا ﴿٪۴۰﴾ |
| ৪০. যে আযাবটি কাছে এসে গেছে সে সম্পর্কে আমি তোমাদের সতর্ক করে দিলাম। যেদিন মানুষ সেসব কিছুই দেখবে যা তার দু’টি হাত আগেই পাঠিয়ে দিয়েছে এবং কাফের বলে উঠবে, হায়! আমি যদি মাটি হতাম। |
সূরা ৭৯ — আন নাযি’আত
| وَ النّٰزِعٰتِ غَرۡقًا ۙ﴿۱﴾ |
| ১. সেই ফেরেশতাদের কসম যারা ডুব দিয়ে টানে |
| وَّ النّٰشِطٰتِ نَشۡطًا ۙ﴿۲﴾ |
| ২. এবং খুব আস্তে আস্তে বের করে নিয়ে যায়। |
| وَّ السّٰبِحٰتِ سَبۡحًا ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. আর (সেই ফেরেশতাদেরও যারা বিশ্বলোকে) দ্রুত গতিতে সাঁতরে চলে, |
| فَالسّٰبِقٰتِ سَبۡقًا ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. বারবার (হুকুম পালনের ব্যাপারে) সবেগে এগিয়ে যায়, |
| فَالۡمُدَبِّرٰتِ اَمۡرًا ۘ﴿۵﴾ |
| ৫. এরপর (আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী) সকল বিষয়ের কাজ পরিচালনা করে। |
| یَوۡمَ تَرۡجُفُ الرَّاجِفَۃُ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. যেদিন ভূমিকম্পের ধাক্কা ঝাঁকুনি দেবে |
| تَتۡبَعُہَا الرَّادِفَۃُ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. এবং তারপর আসবে আর একটি ধাক্কা। |
| قُلُوۡبٌ یَّوۡمَئِذٍ وَّاجِفَۃٌ ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. কতক হৃদয় সেদিন ভয়ে কাঁপতে থাকবে। |
| اَبۡصَارُہَا خَاشِعَۃٌ ۘ﴿۹﴾ |
| ৯. দৃষ্টি হবে তাদের ভীতি বিহবল। |
| یَقُوۡلُوۡنَ ءَاِنَّا لَمَرۡدُوۡدُوۡنَ فِی الۡحَافِرَۃِ ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. এরা বলে, “সত্যিই কি আমাদের আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে? |
| ءَ اِذَا کُنَّا عِظَامًا نَّخِرَۃً ﴿ؕ۱۱﴾ |
| ১১. পচা-গলা হাড্ডিতে পরিণত হয়ে যাওয়ার পরও?” |
| قَالُوۡا تِلۡکَ اِذًا کَرَّۃٌ خَاسِرَۃٌ ﴿ۘ۱۲﴾ |
| ১২. বলতে থাকে “তাহলে তো এ ফিরে আসা হবে বড়ই লোকসানের!” |
| فَاِنَّمَا ہِیَ زَجۡرَۃٌ وَّاحِدَۃٌ ﴿ۙ۱۳﴾ |
| ১৩. অথচ এটা শুধুমাত্র একটা বড় রকমের ধমক |
| فَاِذَا ہُمۡ بِالسَّاہِرَۃِ ﴿ؕ۱۴﴾ |
| ১৪. এবং হঠাৎ তারা হাযির হবে একটি খোলা ময়দানে। |
| ہَلۡ اَتٰىکَ حَدِیۡثُ مُوۡسٰی ﴿ۘ۱۵﴾ |
| ১৫. তোমার কাছে কি মূসার ঘটনার খবর পৌঁছেছে? |
| اِذۡ نَادٰىہُ رَبُّہٗ بِالۡوَادِ الۡمُقَدَّسِ طُوًی ﴿ۚ۱۶﴾ |
| ১৬. যখন তার রব তাকে পবিত্র ‘তুওয়া’ উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন, |
| اِذۡہَبۡ اِلٰی فِرۡعَوۡنَ اِنَّہٗ طَغٰی ﴿۫ۖ۱۷﴾ |
| ১৭. “ফেরাউনের কাছে যাও, সে বিদ্রোহী হয়ে গেছে। |
| فَقُلۡ ہَلۡ لَّکَ اِلٰۤی اَنۡ تَزَکّٰی ﴿ۙ۱۸﴾ |
| ১৮. তাকে বলো, তোমার কি পবিত্রতা অবলম্বন করার আগ্রহ আছে |
| وَ اَہۡدِیَکَ اِلٰی رَبِّکَ فَتَخۡشٰی ﴿ۚ۱۹﴾ |
| ১৯. এবং তোমার রবের দিকে আমি তোমাকে পথ দেখাবো, তাহলে তোমার মধ্যে (তাঁর) ভয় জাগবে?” |
| فَاَرٰىہُ الۡاٰیَۃَ الۡکُبۡرٰی ﴿۫ۖ۲۰﴾ |
| ২০. তারপর মূসা ফেরাউনের কাছে গিয়ে তাকে বড় নিদর্শন দেখালো। |
| فَکَذَّبَ وَ عَصٰی ﴿۫ۖ۲۱﴾ |
| ২১. কিন্তু সে মিথ্যা মনে করে প্রত্যাখ্যান করলো ও অমান্য করলো, |
| ثُمَّ اَدۡبَرَ یَسۡعٰی ﴿۫ۖ۲۲﴾ |
| ২২. তারপর চালবাজী করার মতলবে পিছন ফিরলো। |
| فَحَشَرَ فَنَادٰی ﴿۫ۖ۲۳﴾ |
| ২৩. এবং লোকদের জমায়েত করে তাদেরকে সম্বোধন করে বললোঃ |
| فَقَالَ اَنَا رَبُّکُمُ الۡاَعۡلٰی ﴿۫ۖ۲۴﴾ |
| ২৪. “আমি তোমাদের সবচেয়ে বড় রব” |
| فَاَخَذَہُ اللّٰہُ نَکَالَ الۡاٰخِرَۃِ وَ الۡاُوۡلٰی ﴿ؕ۲۵﴾ |
| ২৫. অবশেষে আল্লাহ তাকে আখেরাত ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন। |
| اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَعِبۡرَۃً لِّمَنۡ یَّخۡشٰی ﴿ؕ٪۲۶﴾ |
| ২৬. আসলে এর মধ্যে রয়েছে মস্তবড় শিক্ষা, যে ভয় করে তার জন্যে। |
| ءَاَنۡتُمۡ اَشَدُّ خَلۡقًا اَمِ السَّمَآءُ ؕ بَنٰہَا ﴿ٝ۲۷﴾ |
| ২৭. তোমাদের সৃষ্টি করা বেশী কঠিন কাজ, না আকাশের? আল্লাহই তাকে সৃষ্টি করেছেন, |
| رَفَعَ سَمۡکَہَا فَسَوّٰىہَا ﴿ۙ۲۸﴾ |
| ২৮. তার ছাদ অনেক উঁচু করেছেন। তারপর তার ভারসাম্য কায়েম করেছেন। |
| وَ اَغۡطَشَ لَیۡلَہَا وَ اَخۡرَجَ ضُحٰہَا ﴿۪۲۹﴾ |
| ২৯. তার রাতকে ঢেকে দিয়েছেন এবং তার দিনকে প্রকাশ করেছেন। |
| وَ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ ذٰلِکَ دَحٰىہَا ﴿ؕ۳۰﴾ |
| ৩০. এরপর তিনি যমীনকে বিছিয়েছেন। |
| اَخۡرَجَ مِنۡہَا مَآءَہَا وَ مَرۡعٰہَا ﴿۪۳۱﴾ |
| ৩১. তার মধ্য থেকে তার পানি ও উদ্ভিদ বের করেছেন |
| وَ الۡجِبَالَ اَرۡسٰہَا ﴿ۙ۳۲﴾ |
| ৩২. এবং তার মধ্যে পাহাড় গেড়ে দিয়েছেন, |
| مَتَاعًا لَّکُمۡ وَ لِاَنۡعَامِکُمۡ ﴿ؕ۳۳﴾ |
| ৩৩. জীবন যাপনের সামগ্রী হিসেবে তোমাদের ও তোমাদের গৃহপালিত পশুদের জন্য |
| فَاِذَا جَآءَتِ الطَّآمَّۃُ الۡکُبۡرٰی ﴿۫ۖ۳۴﴾ |
| ৩৪. তারপর যখন মহাবিপর্যয় ঘটবে। |
| یَوۡمَ یَتَذَکَّرُ الۡاِنۡسَانُ مَا سَعٰی ﴿ۙ۳۵﴾ |
| ৩৫. যেদিন মানুষ নিজে যা কিছু করেছে তা সব স্মরণ করবে |
| وَ بُرِّزَتِ الۡجَحِیۡمُ لِمَنۡ یَّرٰی ﴿۳۶﴾ |
| ৩৬. এবং প্রত্যেক দর্শনকারীর সামনে জাহান্নাম খুলে ধরা হবে, |
| فَاَمَّا مَنۡ طَغٰی ﴿ۙ۳۷﴾ |
| ৩৭. তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছিল |
| وَ اٰثَرَ الۡحَیٰوۃَ الدُّنۡیَا ﴿ۙ۳۸﴾ |
| ৩৮. এবং দুনিয়ার জীবনকে বেশী ভালো মনে করে বেছে নিয়েছিল, |
| فَاِنَّ الۡجَحِیۡمَ ہِیَ الۡمَاۡوٰی ﴿ؕ۳۹﴾ |
| ৩৯. জাহান্নামই হবে তার ঠিকানা। |
| وَ اَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّہٖ وَ نَہَی النَّفۡسَ عَنِ الۡہَوٰی ﴿ۙ۴۰﴾ |
| ৪০. আর যে ব্যক্তি নিজের রবের সামনে এসে দাঁড়াবার ব্যাপারে ভীত ছিল এবং নফসকে খারাপ কামনা থেকে বিরত রেখেছিল |
| فَاِنَّ الۡجَنَّۃَ ہِیَ الۡمَاۡوٰی ﴿ؕ۴۱﴾ |
| ৪১. তার ঠিকানা হবে জান্নাত। |
| یَسۡـَٔلُوۡنَکَ عَنِ السَّاعَۃِ اَیَّانَ مُرۡسٰہَا ﴿ؕ۴۲﴾ |
| ৪২. এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে, সেই সময়টি (কিয়ামত) কখন আসবে? |
| فِیۡمَ اَنۡتَ مِنۡ ذِکۡرٰىہَا ﴿ؕ۴۳﴾ |
| ৪৩. সেই সময়টি বলার সাথে তোমার সম্পর্ক কি? |
| اِلٰی رَبِّکَ مُنۡتَہٰىہَا ﴿ؕ۴۴﴾ |
| ৪৪. এর জ্ঞান তো আল্লাহ পর্যন্তই শেষ। |
| اِنَّمَاۤ اَنۡتَ مُنۡذِرُ مَنۡ یَّخۡشٰہَا ﴿ؕ۴۵﴾ |
| ৪৫. তাঁর ভয়ে ভীত এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে সতর্ক করাই শুধুমাত্র তোমার দায়িত্ব। |
| کَاَنَّہُمۡ یَوۡمَ یَرَوۡنَہَا لَمۡ یَلۡبَثُوۡۤا اِلَّا عَشِیَّۃً اَوۡ ضُحٰہَا ﴿٪۴۶﴾ |
| ৪৬. যেদিন এরা তা দেখে নেবে সেদিন এরা অনুভব করবে যেন (এরা দুনিয়ায় অথবা মৃত অবস্থায়) একদিন বিকালে বা সকালে অবস্থান করেছে মাত্র। |
সূরা ৮০ — আবাসা
| عَبَسَ وَ تَوَلّٰۤی ۙ﴿۱﴾ |
| ১. ভ্রুকুঁচকাল ও মুখ ফিরিয়ে নিল, |
| اَنۡ جَآءَہُ الۡاَعۡمٰی ؕ﴿۲﴾ |
| ২. কারণ সেই অন্ধটি তাঁর কাছে এসেছে। |
| وَ مَا یُدۡرِیۡکَ لَعَلَّہٗ یَزَّکّٰۤی ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. তুমি কি জানো, হয়তো সে শুধরে যেতো |
| اَوۡ یَذَّکَّرُ فَتَنۡفَعَہُ الذِّکۡرٰی ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. অথবা উপদেশের প্রতি মনোযোগী হতো এবং উপদেশ দেয়া তার জন্য উপকারী হতো? |
| اَمَّا مَنِ اسۡتَغۡنٰی ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. যে ব্যক্তি বেপরোয়া ভাব দেখায় |
| فَاَنۡتَ لَہٗ تَصَدّٰی ؕ﴿۶﴾ |
| ৬. তুমি তার প্রতি মনোযোগী হও, |
| وَ مَا عَلَیۡکَ اَلَّا یَزَّکّٰی ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. অথচ সে যদি শুধরে না যায় তাহলে তোমার উপর এর কি দায়িত্ব আছে? |
| وَ اَمَّا مَنۡ جَآءَکَ یَسۡعٰی ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. আর যে নিজে তোমার কাছে দৌঁড়ে আসে |
| وَ ہُوَ یَخۡشٰی ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. এবং সে ভীত হচ্ছে, |
| فَاَنۡتَ عَنۡہُ تَلَہّٰی ﴿ۚ۱۰﴾ |
| ১০. তার দিক থেকে তুমি মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছো। |
| کَلَّاۤ اِنَّہَا تَذۡکِرَۃٌ ﴿ۚ۱۱﴾ |
| ১১. কখখনো নয়, এটি তো একটি উপদেশ, |
| فَمَنۡ شَآءَ ذَکَرَہٗ ﴿ۘ۱۲﴾ |
| ১২. যার ইচ্ছা এটি গ্রহণ করবে। |
| فِیۡ صُحُفٍ مُّکَرَّمَۃٍ ﴿ۙ۱۳﴾ |
| ১৩. এটি এমন সব বইতে লিখিত আছে, যা সম্মানিত, |
| مَّرۡفُوۡعَۃٍ مُّطَہَّرَۃٍۭ ﴿ۙ۱۴﴾ |
| ১৪. উন্নত মর্যাদা সম্পন্ন ও পবিত্র |
| بِاَیۡدِیۡ سَفَرَۃٍ ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. এটি মর্যাদাবান |
| کِرَامٍۭ بَرَرَۃٍ ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. ও পূত চরিত্র লেখকদের হাতে থাকে। |
| قُتِلَ الۡاِنۡسَانُ مَاۤ اَکۡفَرَہٗ ﴿ؕ۱۷﴾ |
| ১৭. লানত মানুষের প্রতি, সে কত বড় সত্য অস্বীকারকারী! |
| مِنۡ اَیِّ شَیۡءٍ خَلَقَہٗ ﴿ؕ۱۸﴾ |
| ১৮. কোন্ জিনিস থেকে আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন? |
| مِنۡ نُّطۡفَۃٍ ؕ خَلَقَہٗ فَقَدَّرَہٗ ﴿ۙ۱۹﴾ |
| ১৯. এক বিন্দু শুত্রু থেকে আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন, |
| ثُمَّ السَّبِیۡلَ یَسَّرَہٗ ﴿ۙ۲۰﴾ |
| ২০. পরে তার তকদীর নির্দিষ্ট করেছেন, তারপর তার জন্য জীবনের পথ সহজ করেছেন |
| ثُمَّ اَمَاتَہٗ فَاَقۡبَرَہٗ ﴿ۙ۲۱﴾ |
| ২১. তারপর তাকে মৃত্যু দিয়েছেন এবং কবরে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন। |
| ثُمَّ اِذَا شَآءَ اَنۡشَرَہٗ ﴿ؕ۲۲﴾ |
| ২২. তারপর যখন তিনি চাইবেন তাকে আবার উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে দেবেন। |
| کَلَّا لَمَّا یَقۡضِ مَاۤ اَمَرَہٗ ﴿ؕ۲۳﴾ |
| ২৩. কখখনো নয়, আল্লাহ তাকে যে কর্তব্য পালন করার হুকুম দিয়েছিলেন তা সে পালন করেনি। |
| فَلۡیَنۡظُرِ الۡاِنۡسَانُ اِلٰی طَعَامِہٖۤ ﴿ۙ۲۴﴾ |
| ২৪. মানুষ তার খাদ্যের দিকে একবার নজর দিক। |
| اَنَّا صَبَبۡنَا الۡمَآءَ صَبًّا ﴿ۙ۲۵﴾ |
| ২৫. আমি প্রচুর পানি ঢেলেছি। |
| ثُمَّ شَقَقۡنَا الۡاَرۡضَ شَقًّا ﴿ۙ۲۶﴾ |
| ২৬. তারপর যমীনকে অদ্ভূতভাবে বিদীর্ণ করেছি। |
| فَاَنۡۢبَتۡنَا فِیۡہَا حَبًّا ﴿ۙ۲۷﴾ |
| ২৭. এরপর তার মধ্যে উৎপন্ন করেছি |
| وَّ عِنَبًا وَّ قَضۡبًا ﴿ۙ۲۸﴾ |
| ২৮. শস্য, আঙুর, |
| وَّ زَیۡتُوۡنًا وَّ نَخۡلًا ﴿ۙ۲۹﴾ |
| ২৯. শাক-সব্জি, যয়তুন, |
| وَّ حَدَآئِقَ غُلۡبًا ﴿ۙ۳۰﴾ |
| ৩০. খেজুর, ঘন বাগান, |
| وَّ فَاکِہَۃً وَّ اَبًّا ﴿ۙ۳۱﴾ |
| ৩১. নানা জাতের ফল ও ঘাস |
| مَّتَاعًا لَّکُمۡ وَ لِاَنۡعَامِکُمۡ ﴿ؕ۳۲﴾ |
| ৩২. তোমাদের ও তোমাদের গৃহপালিত পশুর জীবন ধারণের সামগ্রী হিসেবে। |
| فَاِذَا جَآءَتِ الصَّآخَّۃُ ﴿۫۳۳﴾ |
| ৩৩. অবশেষে যখন সেই কান ফাটানো আওয়াজ আসবে |
| یَوۡمَ یَفِرُّ الۡمَرۡءُ مِنۡ اَخِیۡہِ ﴿ۙ۳۴﴾ |
| ৩৪. সেদিন মানুষ পালাতে থাকবে — |
| وَ اُمِّہٖ وَ اَبِیۡہِ ﴿ۙ۳۵﴾ |
| ৩৫. নিজের ভাই, বোন, |
| وَ صَاحِبَتِہٖ وَ بَنِیۡہِ ﴿ؕ۳۶﴾ |
| ৩৬. মা, বাপ, স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েদের থেকে। |
| لِکُلِّ امۡرِیًٴ مِّنۡہُمۡ یَوۡمَئِذٍ شَاۡنٌ یُّغۡنِیۡہِ ﴿ؕ۳۷﴾ |
| ৩৭. তাদের প্রত্যেকে সেদিন এমন কঠিন সময়ের মুখোমুখি হবে যে, নিজের ছাড়া আর কারোর কথা তার মনে থাকবে না। |
| وُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍ مُّسۡفِرَۃٌ ﴿ۙ۳۸﴾ |
| ৩৮. সেদিন কতক চেহারা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, |
| ضَاحِکَۃٌ مُّسۡتَبۡشِرَۃٌ ﴿ۚ۳۹﴾ |
| ৩৯. হাসিমুখ ও খুশীতে ডগবগ করবে। |
| وَ وُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍ عَلَیۡہَا غَبَرَۃٌ ﴿ۙ۴۰﴾ |
| ৪০. আবার কতক চেহারা হবে সেদিন ধূলিমলিন, |
| تَرۡہَقُہَا قَتَرَۃٌ ﴿ؕ۴۱﴾ |
| ৪১. কালিমাখা। |
| اُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡکَفَرَۃُ الۡفَجَرَۃُ ﴿٪۴۲﴾ |
| ৪২. তারাই হবে কাফের ও পাপী। |
সূরা ৮১ — আত তাকবীর
| اِذَا الشَّمۡسُ کُوِّرَتۡ ۪ۙ﴿۱﴾ |
| ১. যখন সূর্য গুটিয়ে নেয়া হবে। |
| وَ اِذَا النُّجُوۡمُ انۡکَدَرَتۡ ۪ۙ﴿۲﴾ |
| ২. যখন তারকারা চারদিকে বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে। |
| وَ اِذَا الۡجِبَالُ سُیِّرَتۡ ۪ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. যখন পাহাড়গুলোকে চলমান করা হবে। |
| وَ اِذَا الۡعِشَارُ عُطِّلَتۡ ۪ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. যখন দশ মাসের গর্ভবতী উটনীগুলোকে তাদের অবস্থার ওপর ছেড়ে দেয়া হবে। |
| وَ اِذَا الۡوُحُوۡشُ حُشِرَتۡ ۪ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. যখন বন্য পশুদের চারদিক থেকে এনে একত্র করা হবে। |
| وَ اِذَا الۡبِحَارُ سُجِّرَتۡ ۪ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. যখন সমুদ্রগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হবে। |
| وَ اِذَا النُّفُوۡسُ زُوِّجَتۡ ۪ۙ﴿۷﴾ |
| ৭. যখন প্রাণসমূহকে (দেহের সাথে) জুড়ে দেয়া হবে। |
| وَ اِذَا الۡمَوۡءٗدَۃُ سُئِلَتۡ ۪ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. যখন জীবিত পুঁতে ফেলা মেয়েকে জিজ্ঞেস করা হবে, |
| بِاَیِّ ذَنۡۢبٍ قُتِلَتۡ ۚ﴿۹﴾ |
| ৯. কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে? |
| وَ اِذَا الصُّحُفُ نُشِرَتۡ ﴿۪ۙ۱۰﴾ |
| ১০. যখন আমলনামাসমূহ খুলে ধরা হবে। |
| وَ اِذَا السَّمَآءُ کُشِطَتۡ ﴿۪ۙ۱۱﴾ |
| ১১. যখন আকাশের পরদা সরিয়ে ফেলা হবে। |
| وَ اِذَا الۡجَحِیۡمُ سُعِّرَتۡ ﴿۪ۙ۱۲﴾ |
| ১২. যখন জাহান্নামের আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হবে |
| وَ اِذَا الۡجَنَّۃُ اُزۡلِفَتۡ ﴿۪ۙ۱۳﴾ |
| ১৩. এবং জান্নাতকে নিকটে আনা হবে। |
| عَلِمَتۡ نَفۡسٌ مَّاۤ اَحۡضَرَتۡ ﴿ؕ۱۴﴾ |
| ১৪. সে সময় প্রত্যেক ব্যক্তি জানতে পারবে সে কি নিয়ে এসেছে। |
| فَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالۡخُنَّسِ ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. কাজেই, না, আমি কসম খাচ্ছি |
| الۡجَوَارِ الۡکُنَّسِ ﴿ۙ۱۶﴾ |
| ১৬. পেছনে ফিরে আসা ও অদৃশ্য হয়ে যাওয়া তারকারাজির এবং রাত্রির, |
| وَ الَّیۡلِ اِذَا عَسۡعَسَ ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. যখন তা বিদায় নিয়েছে |
| وَ الصُّبۡحِ اِذَا تَنَفَّسَ ﴿ۙ۱۸﴾ |
| ১৮. এবং প্রভাতের, যখন তা শ্বাস ফেলেছে। |
| اِنَّہٗ لَقَوۡلُ رَسُوۡلٍ کَرِیۡمٍ ﴿ۙ۱۹﴾ |
| ১৯. এটি প্রকৃতপক্ষে একজন সম্মানিত বাণীবাহকের বাণী, |
| ذِیۡ قُوَّۃٍ عِنۡدَ ذِی الۡعَرۡشِ مَکِیۡنٍ ﴿ۙ۲۰﴾ |
| ২০. যিনি বড়ই শক্তিধর, আরশের মালিকের কাছে উন্নত মর্যাদার অধিকারী, |
| مُّطَاعٍ ثَمَّ اَمِیۡنٍ ﴿ؕ۲۱﴾ |
| ২১. সেখানে তার হুকুম মেনে চলা হয়, তিনি আস্থাভাজন। |
| وَ مَا صَاحِبُکُمۡ بِمَجۡنُوۡنٍ ﴿ۚ۲۲﴾ |
| ২২. আর (হে মক্কাবাসীরা!) তোমাদের সাথী পাগল নয়। |
| وَ لَقَدۡ رَاٰہُ بِالۡاُفُقِ الۡمُبِیۡنِ ﴿ۚ۲۳﴾ |
| ২৩. সেই বাণীবাহককে দেখেছে উজ্জ্বল দিগন্তে। |
| وَ مَا ہُوَ عَلَی الۡغَیۡبِ بِضَنِیۡنٍ ﴿ۚ۲۴﴾ |
| ২৪. আর সে গায়েবের (এই জ্ঞান লোকদের কাছে পৌঁছানেরা) ব্যাপারে কৃপণ নয়। |
| وَ مَا ہُوَ بِقَوۡلِ شَیۡطٰنٍ رَّجِیۡمٍ ﴿ۙ۲۵﴾ |
| ২৫. এটা কোন অভিশপ্ত শয়তানের বাক্য নয়। |
| فَاَیۡنَ تَذۡہَبُوۡنَ ﴿ؕ۲۶﴾ |
| ২৬. কাজেই তোমরা কোথায় চলে যাচ্ছো? |
| اِنۡ ہُوَ اِلَّا ذِکۡرٌ لِّلۡعٰلَمِیۡنَ ﴿ۙ۲۷﴾ |
| ২৭. এটা তো সারা জাহানের অধিবাসীদের জন্য একটা উপদেশ। |
| لِمَنۡ شَآءَ مِنۡکُمۡ اَنۡ یَّسۡتَقِیۡمَ ﴿ؕ۲۸﴾ |
| ২৮. তোমাদের মধ্য থেকে এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য, যে সত্য সরল পথে চলতে চায়। |
| وَ مَا تَشَآءُوۡنَ اِلَّاۤ اَنۡ یَّشَآءَ اللّٰہُ رَبُّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿٪۲۹﴾ |
| ২৯. আর তোমাদের চাইলেই কিছু হয় না, যতক্ষণ না আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তা চান। |
সূরা ৮২ — আল ইনফিতার
| اِذَا السَّمَآءُ انۡفَطَرَتۡ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. যখন আকাশ ফেটে যাবে, |
| وَ اِذَا الۡکَوَاکِبُ انۡتَثَرَتۡ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. যখন তারকারা চারদিকে বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে, |
| وَ اِذَا الۡبِحَارُ فُجِّرَتۡ ﴿ۙ۳﴾ |
| ৩. যখন সমুদ্র ফাটিয়ে ফেলা হবে |
| وَ اِذَا الۡقُبُوۡرُ بُعۡثِرَتۡ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. এবং যখন কবরগুলো খুলে ফেলা হবে, |
| عَلِمَتۡ نَفۡسٌ مَّا قَدَّمَتۡ وَ اَخَّرَتۡ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. তখন প্রত্যেক ব্যক্তি তার সামনের ও পেছনের সবকিছু জেনে যাবে। |
| یٰۤاَیُّہَا الۡاِنۡسَانُ مَا غَرَّکَ بِرَبِّکَ الۡکَرِیۡمِ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. হে মানুষ! কোন জিনিষ তোমাকে তোমার মহান রবের ব্যাপারে ধোঁকায় ফেলে রেখেছে, |
| الَّذِیۡ خَلَقَکَ فَسَوّٰىکَ فَعَدَلَکَ ۙ﴿۷﴾ |
| ৭. যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তোমাকে সুঠাম ও সুসামঞ্জস্য করে গড়েছেন |
| فِیۡۤ اَیِّ صُوۡرَۃٍ مَّا شَآءَ رَکَّبَکَ ؕ﴿۸﴾ |
| ৮. এবং যে আকৃতিতে চেয়েছেন তোমাকে গঠন করেছেন। |
| کَلَّا بَلۡ تُکَذِّبُوۡنَ بِالدِّیۡنِ ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. কখ্খনো না, বরং (আসল কথা হচ্ছে এই যে), তোমরা শাস্তি ও পুরস্কারকে মিথ্যা মনে করছো। |
| وَ اِنَّ عَلَیۡکُمۡ لَحٰفِظِیۡنَ ﴿ۙ۱۰﴾ |
| ১০. অথচ তোমাদের ওপর পরিদর্শক নিযুক্ত রয়েছে, |
| کِرَامًا کَاتِبِیۡنَ ﴿ۙ۱۱﴾ |
| ১১. এমন সম্মানিত লেখকবৃন্দ, |
| یَعۡلَمُوۡنَ مَا تَفۡعَلُوۡنَ ﴿۱۲﴾ |
| ১২. যারা তোমাদের প্রত্যেকটি কাজ জানে। |
| اِنَّ الۡاَبۡرَارَ لَفِیۡ نَعِیۡمٍ ﴿ۚ۱۳﴾ |
| ১৩. নিঃসন্দেহে নেক লোকেরা পরমানন্দে থাকবে |
| وَ اِنَّ الۡفُجَّارَ لَفِیۡ جَحِیۡمٍ ﴿ۚۖ۱۴﴾ |
| ১৪. আর পাপীরা অবশ্যি যাবে জাহান্নামে। |
| یَّصۡلَوۡنَہَا یَوۡمَ الدِّیۡنِ ﴿۱۵﴾ |
| ১৫. কর্মফলের দিন তারা তার মধ্যে প্রবেশ করবে |
| وَ مَا ہُمۡ عَنۡہَا بِغَآئِبِیۡنَ ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. এবং সেখান থেকে কোনক্রমেই সরে পড়তে পারবে না। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا یَوۡمُ الدِّیۡنِ ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. আর তোমরা কি জানো, ঐ কর্মফল দিনটি কি? |
| ثُمَّ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا یَوۡمُ الدِّیۡنِ ﴿ؕ۱۸﴾ |
| ১৮. হ্যাঁ, তোমরা কি জানো, ঐ কর্মফল দিনটি কি? |
| یَوۡمَ لَا تَمۡلِکُ نَفۡسٌ لِّنَفۡسٍ شَیۡئًا ؕ وَ الۡاَمۡرُ یَوۡمَئِذٍ لِّلّٰہِ ﴿٪۱۹﴾ |
| ১৯. এটি সেই দিন যখন কারোর জন্য কোন কিছু করার সাধ্য কারোর থাকবে না। ফায়সালা সেদিন একমাত্র আল্লাহর ইখতিয়ারে থাকবে। |
সূরা ৮৩ — আল মুতাফফিফীন
| وَیۡلٌ لِّلۡمُطَفِّفِیۡنَ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. ধ্বংস তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়। |
| الَّذِیۡنَ اِذَا اکۡتَالُوۡا عَلَی النَّاسِ یَسۡتَوۡفُوۡنَ ۫﴿ۖ۲﴾ |
| ২. তাদের অবস্থা এই যে, লোকদের থেকে নেবার সময় পুরোমাত্রায় নেয় |
| وَ اِذَا کَالُوۡہُمۡ اَوۡ وَّزَنُوۡہُمۡ یُخۡسِرُوۡنَ ﴿ؕ۳﴾ |
| ৩. এবং তাদেরকে ওজন করে বা মেপে দেবার সময় কম করে দেয়। |
| اَلَا یَظُنُّ اُولٰٓئِکَ اَنَّہُمۡ مَّبۡعُوۡثُوۡنَ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. এরা কি চিন্তা করে না, একটি মহাদিবসে |
| لِیَوۡمٍ عَظِیۡمٍ ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. এদেরকে উঠিয়ে আনা হবে? |
| یَّوۡمَ یَقُوۡمُ النَّاسُ لِرَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ؕ﴿۶﴾ |
| ৬. যেদিন সমস্ত মানুষ রব্বুল আলামীনের সামনে দাঁড়াবে। |
| کَلَّاۤ اِنَّ کِتٰبَ الۡفُجَّارِ لَفِیۡ سِجِّیۡنٍ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. কখ্খনো নয়, নিশ্চিতভাবেই পাপীদের আমলনামা কয়েদখানার দফতরে রয়েছে। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا سِجِّیۡنٌ ؕ﴿۸﴾ |
| ৮. আর তুমি কি জানো সেই কয়েদখানার দফতরটা কি? |
| کِتٰبٌ مَّرۡقُوۡمٌ ؕ﴿۹﴾ |
| ৯. একটি লিখিত কিতাব। |
| وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿ۙ۱۰﴾ |
| ১০. সেদিন মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য ধ্বংস সুনিশ্চিত, |
| الَّذِیۡنَ یُکَذِّبُوۡنَ بِیَوۡمِ الدِّیۡنِ ﴿ؕ۱۱﴾ |
| ১১. যারা কর্মফল দেবার দিনটিকে মিথ্যা বলেছে। |
| وَ مَا یُکَذِّبُ بِہٖۤ اِلَّا کُلُّ مُعۡتَدٍ اَثِیۡمٍ ﴿ۙ۱۲﴾ |
| ১২. আর সীমালংঘনকারী পাপী ছাড়া কেই একে মিথ্যা বলে না। |
| اِذَا تُتۡلٰی عَلَیۡہِ اٰیٰتُنَا قَالَ اَسَاطِیۡرُ الۡاَوَّلِیۡنَ ﴿ؕ۱۳﴾ |
| ১৩. তাকে যখন আমার আয়াত শুনানো হয় সে বলে, এ তো আগের কালের গল্প। |
| کَلَّا بَلۡ ٜ رَانَ عَلٰی قُلُوۡبِہِمۡ مَّا کَانُوۡا یَکۡسِبُوۡنَ ﴿۱۴﴾ |
| ১৪. কখ্খনো নয়, বরং এদের খারাপ কাজের জং ধরেছে। |
| کَلَّاۤ اِنَّہُمۡ عَنۡ رَّبِّہِمۡ یَوۡمَئِذٍ لَّمَحۡجُوۡبُوۡنَ ﴿ؕ۱۵﴾ |
| ১৫. কখ্খনো নয়, নিশ্চিতভাবেই সেদিন তাদের রবের দর্শন থেকে বঞ্চিত রাখা হবে। |
| ثُمَّ اِنَّہُمۡ لَصَالُوا الۡجَحِیۡمِ ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. তারপর তারা গিয়ে পড়বে জাহান্নামের মধ্যে। |
| ثُمَّ یُقَالُ ہٰذَا الَّذِیۡ کُنۡتُمۡ بِہٖ تُکَذِّبُوۡنَ ﴿ؕ۱۷﴾ |
| ১৭. এরপর তাদেরকে বলা হবে, এটি সেই জিনিস যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে। |
| کَلَّاۤ اِنَّ کِتٰبَ الۡاَبۡرَارِ لَفِیۡ عِلِّیِّیۡنَ ﴿ؕ۱۸﴾ |
| ১৮. কখ্খনো নয়, অবশ্যি নেক লোকদের আমলনামা উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন লোকদের দফতরে রয়েছে। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا عِلِّیُّوۡنَ ﴿ؕ۱۹﴾ |
| ১৯. আর তোমরা কি জানো, এ উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন লোকদের দফতরটি কি? |
| کِتٰبٌ مَّرۡقُوۡمٌ ﴿ۙ۲۰﴾ |
| ২০. এটি একটি লিখিত কিতাব। |
| یَّشۡہَدُہُ الۡمُقَرَّبُوۡنَ ﴿ؕ۲۱﴾ |
| ২১. নৈকট্য লাভকারী ফেরেশতারা এর দেখাশুনা করে। |
| اِنَّ الۡاَبۡرَارَ لَفِیۡ نَعِیۡمٍ ﴿ۙ۲۲﴾ |
| ২২. নিঃসন্দেহে নেক লোকেরা থাকবে বড়ই আনন্দে। |
| عَلَی الۡاَرَآئِکِ یَنۡظُرُوۡنَ ﴿ۙ۲۳﴾ |
| ২৩. উঁচু আসনে বসে দেখতে থাকবে। |
| تَعۡرِفُ فِیۡ وُجُوۡہِہِمۡ نَضۡرَۃَ النَّعِیۡمِ ﴿ۚ۲۴﴾ |
| ২৪. তাদের চেহারায় তোমরা সচ্ছলতার দীপ্তি অনুভব করবে। |
| یُسۡقَوۡنَ مِنۡ رَّحِیۡقٍ مَّخۡتُوۡمٍ ﴿ۙ۲۵﴾ |
| ২৫. তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধতম শরাব পান করানো হবে। |
| خِتٰمُہٗ مِسۡکٌ ؕ وَ فِیۡ ذٰلِکَ فَلۡیَتَنَافَسِ الۡمُتَنَافِسُوۡنَ ﴿ؕ۲۶﴾ |
| ২৬. তার ওপর মিশক-এর মোহর থাকবে। যারা অন্যদের ওপর প্রতিযোগিতায় জয়ী হতে চায় তারা যেন এই জিনিসটি হাসিল করার জন্য প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার চেষ্টা করে। |
| وَ مِزَاجُہٗ مِنۡ تَسۡنِیۡمٍ ﴿ۙ۲۷﴾ |
| ২৭. সে শরাবে তাসনীমের মিশ্রণ থাকবে। |
| عَیۡنًا یَّشۡرَبُ بِہَا الۡمُقَرَّبُوۡنَ ﴿ؕ۲۸﴾ |
| ২৮. এটি একটি ঝরণা, নৈকট্য লাভকারীরা এর পানির সাথে শরাব পান করবে। |
| اِنَّ الَّذِیۡنَ اَجۡرَمُوۡا کَانُوۡا مِنَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا یَضۡحَکُوۡنَ ﴿۫ۖ۲۹﴾ |
| ২৯. অপরাধীরা দুনিয়াতে ঈমানদারদের বিদ্রূপ করতো। |
| وَ اِذَا مَرُّوۡا بِہِمۡ یَتَغَامَزُوۡنَ ﴿۫ۖ۳۰﴾ |
| ৩০. তাদের কাছ দিয়ে যাবার সময় চোখ টিপে তাদের দিকে ইশারা করতো। |
| وَ اِذَا انۡقَلَبُوۡۤا اِلٰۤی اَہۡلِہِمُ انۡقَلَبُوۡا فَکِہِیۡنَ ﴿۫ۖ۳۱﴾ |
| ৩১. নিজেদের ঘরের দিকে ফেরার সময় আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে ফিরতো। |
| وَ اِذَا رَاَوۡہُمۡ قَالُوۡۤا اِنَّ ہٰۤؤُلَآءِ لَضَآلُّوۡنَ ﴿ۙ۳۲﴾ |
| ৩২. আর তাদেরকে দেখলে বলতো, এরা হচ্ছে পথভ্রষ্ট। |
| وَ مَاۤ اُرۡسِلُوۡا عَلَیۡہِمۡ حٰفِظِیۡنَ ﴿ؕ۳۳﴾ |
| ৩৩. অথচ তাদেরকে এদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক করে পাঠানো হয়নি। |
| فَالۡیَوۡمَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا مِنَ الۡکُفَّارِ یَضۡحَکُوۡنَ ﴿ۙ۳۴﴾ |
| ৩৪. আজ ঈমানদাররা কাফেরদের ওপর হাসছে। |
| عَلَی الۡاَرَآئِکِ ۙ یَنۡظُرُوۡنَ ﴿ؕ۳۵﴾ |
| ৩৫. সুসজ্জিত আসনে বসে তাদের অবস্থা দেখছে। |
| ہَلۡ ثُوِّبَ الۡکُفَّارُ مَا کَانُوۡا یَفۡعَلُوۡنَ ﴿٪۳۶﴾ |
| ৩৬. কাফেররা তাদের কৃতকর্মের “সওয়াব” পেয়ে গেলো তো? |
সূরা ৮৪ — আল ইনশিকাক
| اِذَا السَّمَآءُ انۡشَقَّتۡ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. যখন আকাশ ফেটে যাবে |
| وَ اَذِنَتۡ لِرَبِّہَا وَ حُقَّتۡ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. এবং নিজের রবের হুকুম পালন করবে। আর (নিজের রবের হুকুম মেনে চলা), এটিই তার জন্য সত্য। |
| وَ اِذَا الۡاَرۡضُ مُدَّتۡ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. আর পৃথিবীকে যখন ছড়িয়ে দেয়া হবে। |
| وَ اَلۡقَتۡ مَا فِیۡہَا وَ تَخَلَّتۡ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. যা কিছু তার মধ্যে আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করে সে খালি হয়ে যাবে |
| وَ اَذِنَتۡ لِرَبِّہَا وَ حُقَّتۡ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. এবং নিজের রবের হুকুম পালন করবে। আর (নিজের রবের হুকুম মেনে চলা), এটিই তার জন্য সত্য। |
| یٰۤاَیُّہَا الۡاِنۡسَانُ اِنَّکَ کَادِحٌ اِلٰی رَبِّکَ کَدۡحًا فَمُلٰقِیۡہِ ۚ﴿۶﴾ |
| ৬. হে মানুষ! তুমি কঠোর পরিশ্রম করতে করতে তোমার রবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছো, পরে তাঁর সাথে সাক্ষাত করবে। |
| فَاَمَّا مَنۡ اُوۡتِیَ کِتٰبَہٗ بِیَمِیۡنِہٖ ۙ﴿۷﴾ |
| ৭. তারপর যার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হয়েছে, |
| فَسَوۡفَ یُحَاسَبُ حِسَابًا یَّسِیۡرًا ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. তার কাছ থেকে হালকা হিসেব নেয়া হবে |
| وَّ یَنۡقَلِبُ اِلٰۤی اَہۡلِہٖ مَسۡرُوۡرًا ؕ﴿۹﴾ |
| ৯. এবং সে হাসিমুখে নিজের লোকজনের কাছে ফিরে যাবে। |
| وَ اَمَّا مَنۡ اُوۡتِیَ کِتٰبَہٗ وَرَآءَ ظَہۡرِہٖ ﴿ۙ۱۰﴾ |
| ১০. আর যার আমলনামা তার পিছন দিক থেকে দেয়া হবে, |
| فَسَوۡفَ یَدۡعُوۡا ثُبُوۡرًا ﴿ۙ۱۱﴾ |
| ১১. সে মৃত্যুকে ডাকবে |
| وَّ یَصۡلٰی سَعِیۡرًا ﴿ؕ۱۲﴾ |
| ১২. এবং জ্বলন্ত আগুনে গিয়ে পড়বে। |
| اِنَّہٗ کَانَ فِیۡۤ اَہۡلِہٖ مَسۡرُوۡرًا ﴿ؕ۱۳﴾ |
| ১৩. সে নিজের পরিবারের লোকদের মধ্যে ডুবে ছিল। |
| اِنَّہٗ ظَنَّ اَنۡ لَّنۡ یَّحُوۡرَ ﴿ۚۛ۱۴﴾ |
| ১৪. সে মনে করেছিল, তাকে কখনো ফিরতে হবে না। |
| بَلٰۤی ۚۛ اِنَّ رَبَّہٗ کَانَ بِہٖ بَصِیۡرًا ﴿ؕ۱۵﴾ |
| ১৫. না ফিরে সে পারতো কেমন করে? তার রব তার কার্যকলাপ দেখছিলেন। |
| فَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالشَّفَقِ ﴿ۙ۱۶﴾ |
| ১৬. কাজেই না আমি কসম খাচ্ছি, |
| وَ الَّیۡلِ وَ مَا وَسَقَ ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. আকাশের লাল আভার ও রাতের |
| وَ الۡقَمَرِ اِذَا اتَّسَقَ ﴿ۙ۱۸﴾ |
| ১৮. এবং তাতে যা কিছুর সমাবেশ ঘটে তার, আর চাঁদের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে। |
| لَتَرۡکَبُنَّ طَبَقًا عَنۡ طَبَقٍ ﴿ؕ۱۹﴾ |
| ১৯. তোমাদের অবশ্যি স্তরে স্তরে এক অবস্থা থেকে আর এক অবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। |
| فَمَا لَہُمۡ لَا یُؤۡمِنُوۡنَ ﴿ۙ۲۰﴾ |
| ২০. তাহলে এদের কি হয়েছে, এরা ঈমান আনে না |
| وَ اِذَا قُرِئَ عَلَیۡہِمُ الۡقُرۡاٰنُ لَا یَسۡجُدُوۡنَ ﴿ؕٛ۲۱﴾ |
| ২১. এবং এদের সামনে কুরআন পড়া হলে এরা সিজদা করে না? |
| بَلِ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا یُکَذِّبُوۡنَ ﴿۫ۖ۲۲﴾ |
| ২২. বরং এ অস্বীকারকারীরা উল্টো মিথ্যা আরোপ করে। |
| وَ اللّٰہُ اَعۡلَمُ بِمَا یُوۡعُوۡنَ ﴿۫ۖ۲۳﴾ |
| ২৩. অথচ এরা নিজেদের আমলনামায় যা কিছু জমা করছে আল্লাহ তা খুব ভালো করেই জানেন। |
| فَبَشِّرۡہُمۡ بِعَذَابٍ اَلِیۡمٍ ﴿ۙ۲۴﴾ |
| ২৪. কাজেই এদের যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও। |
| اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَہُمۡ اَجۡرٌ غَیۡرُ مَمۡنُوۡنٍ ﴿٪۲۵﴾ |
| ২৫. তবে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার। |
সূরা ৮৫ — আল বুরূজ
| وَ السَّمَآءِ ذَاتِ الۡبُرُوۡجِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. কসম মজবুত দুর্গ বিশিষ্ট আকাশের |
| وَ الۡیَوۡمِ الۡمَوۡعُوۡدِ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. এবং সেই দিনের যার ওয়াদা করা হয়েছে |
| وَ شَاہِدٍ وَّ مَشۡہُوۡدٍ ؕ﴿۳﴾ |
| ৩. আর যে দেখে তার এবং সেই জিনিসের যা দেখা যায়। |
| قُتِلَ اَصۡحٰبُ الۡاُخۡدُوۡدِ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. মারা পড়েছে গর্তওয়ালারা যে গর্তে দাউ দাউ করে জ্বলা জ্বালানীর আগুন ছিল, |
| النَّارِ ذَاتِ الۡوَقُوۡدِ ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. যখন তারা সেই গর্তের কিনারে বসেছিল |
| اِذۡ ہُمۡ عَلَیۡہَا قُعُوۡدٌ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. এবং ঈমানদারদের সাথে |
| وَّ ہُمۡ عَلٰی مَا یَفۡعَلُوۡنَ بِالۡمُؤۡمِنِیۡنَ شُہُوۡدٌ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. তারা সবকিছু করছিল তা দেখছিল। |
| وَ مَا نَقَمُوۡا مِنۡہُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ یُّؤۡمِنُوۡا بِاللّٰہِ الۡعَزِیۡزِ الۡحَمِیۡدِ ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. ওই ঈমানদারদের সাথে তাদের শত্রুতার এছাড়া আর কোন কারণ ছিল না যে, তারা সেই আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল |
| الَّذِیۡ لَہٗ مُلۡکُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ وَ اللّٰہُ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ شَہِیۡدٌ ؕ﴿۹﴾ |
| ৯. যিনি মহাপরাক্রমশালী এবং নিজের সত্তায় নিজেই প্রশংসিত, যিনি আকাশ ও পৃথিবীর রাজত্বের অধিকারী। আর সে আল্লাহ সবকিছু দেখছেন। |
| اِنَّ الَّذِیۡنَ فَتَنُوا الۡمُؤۡمِنِیۡنَ وَ الۡمُؤۡمِنٰتِ ثُمَّ لَمۡ یَتُوۡبُوۡا فَلَہُمۡ عَذَابُ جَہَنَّمَ وَ لَہُمۡ عَذَابُ الۡحَرِیۡقِ ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. যারা মু’মিন পুরুষ ও নারীদের ওপর জুলুম-নিপীড়ন চালিয়েছে, তারপর তা থেকে তওবা করেনি, নিশ্চিতভাবেই তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আযাব এবং জ্বালা-পোড়ার শাস্তি। |
| اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَہُمۡ جَنّٰتٌ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِہَا الۡاَنۡہٰرُ ۬ؕؑ ذٰلِکَ الۡفَوۡزُ الۡکَبِیۡرُ ﴿ؕ۱۱﴾ |
| ১১. যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে নিশ্চিতভাবেই তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতের বাগান যার নিম্নদেশে প্রবাহিত হতে থাকবে ঝরণাধারা। এটিই বড় সাফল্য। |
| اِنَّ بَطۡشَ رَبِّکَ لَشَدِیۡدٌ ﴿ؕ۱۲﴾ |
| ১২. আসলে তোমার রবের পাকড়াও বড় শক্ত। |
| اِنَّہٗ ہُوَ یُبۡدِئُ وَ یُعِیۡدُ ﴿ۚ۱۳﴾ |
| ১৩. তিনিই প্রথমবার সৃষ্টি করেন আবার তিনিই দ্বিতীয় বার সৃষ্টি করবেন। |
| وَ ہُوَ الۡغَفُوۡرُ الۡوَدُوۡدُ ﴿ۙ۱۴﴾ |
| ১৪. তিনি ক্ষমাশীল, প্রেমময়, |
| ذُو الۡعَرۡشِ الۡمَجِیۡدُ ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. আরশের মালিক, শ্রেষ্ঠ-সম্মানিত |
| فَعَّالٌ لِّمَا یُرِیۡدُ ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. এবং তিনি যা চান তাই করেন। |
| ہَلۡ اَتٰىکَ حَدِیۡثُ الۡجُنُوۡدِ ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. তোমার কাছে কি পৌঁছেছে সেনাদলের খবর? |
| فِرۡعَوۡنَ وَ ثَمُوۡدَ ﴿ؕ۱۸﴾ |
| ১৮. ফেরাউন ও সামূদের সেনাদলের? |
| بَلِ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا فِیۡ تَکۡذِیۡبٍ ﴿ۙ۱۹﴾ |
| ১৯. কিন্তু যারা কুফরী করেছে, তারা মিথ্যা আরোপ করার কাজে লেগে রয়েছে। |
| وَّ اللّٰہُ مِنۡ وَّرَآئِہِمۡ مُّحِیۡطٌ ﴿ۚ۲۰﴾ |
| ২০. অথচ আল্লাহ তাদেরকে ঘেরাও করে রেখেছেন। |
| بَلۡ ہُوَ قُرۡاٰنٌ مَّجِیۡدٌ ﴿ۙ۲۱﴾ |
| ২১. (তাদের মিথ্যা আরোপ করায় এ কুরআনের কিছু আসে যায় না) |
| فِیۡ لَوۡحٍ مَّحۡفُوۡظٍ ﴿٪۲۲﴾ |
| ২২. বরং এ কুরআন উন্নত মর্যাদা সম্পন্ন, সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ। |
সূরা ৮৬ — আত তারিক
| وَ السَّمَآءِ وَ الطَّارِقِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. কসম আকাশের এবং রাতে আত্মপ্রকাশকারীর। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا الطَّارِقُ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. তুমি কি জানো ঐ রাতে আত্মপ্রকাশকারী কি? |
| النَّجۡمُ الثَّاقِبُ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. উজ্জ্বল তারকা। |
| اِنۡ کُلُّ نَفۡسٍ لَّمَّا عَلَیۡہَا حَافِظٌ ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. এমন কোন প্রাণ নেই যার ওপর কোন হেফাজতকারী নেই। |
| فَلۡیَنۡظُرِ الۡاِنۡسَانُ مِمَّ خُلِقَ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. কাজেই মানুষ একবার এটাই দেখে নিক কী জিনিস থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে! |
| خُلِقَ مِنۡ مَّآءٍ دَافِقٍ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে প্রবলবেগে নিঃসৃত পানি থেকে, |
| یَّخۡرُجُ مِنۡۢ بَیۡنِ الصُّلۡبِ وَ التَّرَآئِبِ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. যা পিঠ ও বুকের হাড়ের মাঝখান দিয়ে বের হয়। |
| اِنَّہٗ عَلٰی رَجۡعِہٖ لَقَادِرٌ ؕ﴿۸﴾ |
| ৮. নিশ্চিতভাবেই তিনি (স্রষ্টা) তাকে দ্বিতীয় বার সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখেন। |
| یَوۡمَ تُبۡلَی السَّرَآئِرُ ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. যেদিন গোপন রহস্যের যাচাই বাছাই হবে, |
| فَمَا لَہٗ مِنۡ قُوَّۃٍ وَّ لَا نَاصِرٍ ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. সেদিন মানুষের নিজের কোন শক্তি থাকবে না এবং কেউ তার সাহায্যকারীও হবে না। |
| وَ السَّمَآءِ ذَاتِ الرَّجۡعِ ﴿ۙ۱۱﴾ |
| ১১. কসম বৃষ্টি বর্ষণকারী আকাশের |
| وَ الۡاَرۡضِ ذَاتِ الصَّدۡعِ ﴿ۙ۱۲﴾ |
| ১২. এবং (উদ্ভিদ জন্মাবার সময়) ফেটে যাওয়া যমীনের, |
| اِنَّہٗ لَقَوۡلٌ فَصۡلٌ ﴿ۙ۱۳﴾ |
| ১৩. এটি মাপাজোকা মীমাংসাকারী কথা, |
| وَّ مَا ہُوَ بِالۡہَزۡلِ ﴿ؕ۱۴﴾ |
| ১৪. হাসি-ঠাট্টা নয়। |
| اِنَّہُمۡ یَکِیۡدُوۡنَ کَیۡدًا ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. এরা কিছু চক্রান্ত করছে |
| وَّ اَکِیۡدُ کَیۡدًا ﴿ۚۖ۱۶﴾ |
| ১৬. এবং আমিও একটি কৌশল করছি। |
| فَمَہِّلِ الۡکٰفِرِیۡنَ اَمۡہِلۡہُمۡ رُوَیۡدًا ﴿٪۱۷﴾ |
| ১৭. কাজেই ছেড়ে দাও, হে নবী! এ কাফেরদেরকে সামান্য কিছুক্ষণের জন্য এদের অবস্থার ওপর ছেড়ে দাও। |
সূরা ৮৭ — আল আ’লা
| سَبِّحِ اسۡمَ رَبِّکَ الۡاَعۡلَی ۙ﴿۱﴾ |
| ১. (হে নবী!) তোমার সুমহান রবের নামের তাসবীহ পাঠ করো। |
| الَّذِیۡ خَلَقَ فَسَوّٰی ۪ۙ﴿۲﴾ |
| ২. যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সমতা কায়েম করেছেন। |
| وَ الَّذِیۡ قَدَّرَ فَہَدٰی ۪ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. যিনি তাকদীর গড়েছেন তারপর পথ দেখিয়েছেন। |
| وَ الَّذِیۡۤ اَخۡرَجَ الۡمَرۡعٰی ۪ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. যিনি উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছেন। |
| فَجَعَلَہٗ غُثَآءً اَحۡوٰی ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. তারপর তাদেরকে কালো আবর্জনায় পরিণত করেছেন। |
| سَنُقۡرِئُکَ فَلَا تَنۡسٰۤی ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. আমি তোমাকে পড়িয়ে দেবো, তারপর তুমি আর ভুলবে না। |
| اِلَّا مَا شَآءَ اللّٰہُ ؕ اِنَّہٗ یَعۡلَمُ الۡجَہۡرَ وَ مَا یَخۡفٰی ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. তবে আল্লাহ যা চান তা ছাড়া। তিনি জানেন প্রকাশ্য এবং যা কিছু গোপন আছে তাও। |
| وَ نُیَسِّرُکَ لِلۡیُسۡرٰی ۚ﴿ۖ۸﴾ |
| ৮. আর আমি তোমাকে সহজ পথের সুযোগ সুবিধা দিচ্ছি। |
| فَذَکِّرۡ اِنۡ نَّفَعَتِ الذِّکۡرٰی ؕ﴿۹﴾ |
| ৯. কাজেই তুমি উপদেশ দাও, যদি উপদেশ উপকারী হয় |
| سَیَذَّکَّرُ مَنۡ یَّخۡشٰی ﴿ۙ۱۰﴾ |
| ১০. যে ভয় করে সে উপদেশ গ্রহণ করে নেবে। |
| وَ یَتَجَنَّبُہَا الۡاَشۡقَی ﴿ۙ۱۱﴾ |
| ১১. আর তার প্রতি অবহেলা করবে নিতান্ত দুর্ভাগাই, |
| الَّذِیۡ یَصۡلَی النَّارَ الۡکُبۡرٰی ﴿ۚ۱۲﴾ |
| ১২. যে বৃহৎ আগুনে প্রবেশ করবে, |
| ثُمَّ لَا یَمُوۡتُ فِیۡہَا وَ لَا یَحۡیٰی ﴿ؕ۱۳﴾ |
| ১৩. তারপর সেখানে মরবেও না, বাঁচবেও না। |
| قَدۡ اَفۡلَحَ مَنۡ تَزَکّٰی ﴿ۙ۱۴﴾ |
| ১৪. সে সফলকাম হয়েছে, যে পবিত্রতা অবলম্বন করেছে |
| وَ ذَکَرَ اسۡمَ رَبِّہٖ فَصَلّٰی ﴿ؕ۱۵﴾ |
| ১৫. এবং নিজের রবের নাম স্মরণ করেছে তারপর নামায পড়েছে। |
| بَلۡ تُؤۡثِرُوۡنَ الۡحَیٰوۃَ الدُّنۡیَا ﴿۫ۖ۱۶﴾ |
| ১৬. কিন্তু তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিয়ে থাকো। |
| وَ الۡاٰخِرَۃُ خَیۡرٌ وَّ اَبۡقٰی ﴿ؕ۱۷﴾ |
| ১৭. অথচ আখেরাত উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী। |
| اِنَّ ہٰذَا لَفِی الصُّحُفِ الۡاُوۡلٰی ﴿ۙ۱۸﴾ |
| ১৮. পূর্বে অবতীর্ণ সহীফাগুলোয় একথাই বলা হয়েছিল, |
| صُحُفِ اِبۡرٰہِیۡمَ وَ مُوۡسٰی ﴿٪۱۹﴾ |
| ১৯. ইবরাহীম ও মূসার সহীফায়। |
সূরা ৮৮ — আল গাশিয়াহ
| ہَلۡ اَتٰىکَ حَدِیۡثُ الۡغَاشِیَۃِ ؕ﴿۱﴾ |
| ১. তোমার কাছে আচ্ছন্নকারী বিপদের খবর এসে পৌঁছেছে কি? |
| وُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍ خَاشِعَۃٌ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. কিছু চেহারা সেদিন হবে ভীত কাতর, |
| عَامِلَۃٌ نَّاصِبَۃٌ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. কঠোর পরিশ্রমরত, ক্লান্ত- পরিশ্রান্ত। |
| تَصۡلٰی نَارًا حَامِیَۃً ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. জ্বলন্ত আগুনে ঝলসে যেতে থাকবে। |
| تُسۡقٰی مِنۡ عَیۡنٍ اٰنِیَۃٍ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. ফুটন্ত ঝরণার পানি তাদেরকে দেয়া হবে পান করার জন্য। |
| لَیۡسَ لَہُمۡ طَعَامٌ اِلَّا مِنۡ ضَرِیۡعٍ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. তাদের জন্য কাঁটাওয়ালা শুকনো ঘাস ছাড়া আর কোন খাদ্য থাকবে না। |
| لَّا یُسۡمِنُ وَ لَا یُغۡنِیۡ مِنۡ جُوۡعٍ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. তা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধাও মেটাবে না। |
| وُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍ نَّاعِمَۃٌ ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. কিছু চেহারা সেদিন আলোকোজ্জ্বল হবে। |
| لِّسَعۡیِہَا رَاضِیَۃٌ ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. নিজেদের কর্ম সাফল্যে আনন্দিত হবে। |
| فِیۡ جَنَّۃٍ عَالِیَۃٍ ﴿ۙ۱۰﴾ |
| ১০. উচ্চ মর্যাদার জান্নাতে অবস্থান করবে। |
| لَّا تَسۡمَعُ فِیۡہَا لَاغِیَۃً ﴿ؕ۱۱﴾ |
| ১১. সেখানে কোন বাজে কথা শুনবে না। |
| فِیۡہَا عَیۡنٌ جَارِیَۃٌ ﴿ۘ۱۲﴾ |
| ১২. সেখানে থাকবে বহমান ঝরণাধারা। |
| فِیۡہَا سُرُرٌ مَّرۡفُوۡعَۃٌ ﴿ۙ۱۳﴾ |
| ১৩. সেখানে উঁচু আসন থাকবে, |
| وَّ اَکۡوَابٌ مَّوۡضُوۡعَۃٌ ﴿ۙ۱۴﴾ |
| ১৪. পানপাত্রসমূহ থাকবে। |
| وَّ نَمَارِقُ مَصۡفُوۡفَۃٌ ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. সারি সারি বালিশ সাজানো থাকবে |
| وَّ زَرَابِیُّ مَبۡثُوۡثَۃٌ ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. এবং উৎকৃষ্ট বিছানা পাতা থাকবে। |
| اَفَلَا یَنۡظُرُوۡنَ اِلَی الۡاِبِلِ کَیۡفَ خُلِقَتۡ ﴿ٝ۱۷﴾ |
| ১৭. (এরা মানছে না) তাহলে কি এরা উটগুলো দেখছে না, কিভাবে তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে? |
| وَ اِلَی السَّمَآءِ کَیۡفَ رُفِعَتۡ ﴿ٝ۱۸﴾ |
| ১৮. আকাশ দেখছে না, কিভাবে তাকে উঠানো হয়েছে? |
| وَ اِلَی الۡجِبَالِ کَیۡفَ نُصِبَتۡ ﴿ٝ۱۹﴾ |
| ১৯. পাহাড়গুলো দেখছে না, কিভাবে তাদেরকে শক্তভাবে বসানো হয়েছে? |
| وَ اِلَی الۡاَرۡضِ کَیۡفَ سُطِحَتۡ ﴿ٝ۲۰﴾ |
| ২০. আর যমীনকে দেখছে না, কিভাবে তাকে বিছানো হয়েছে? |
| فَذَکِّرۡ ۟ؕ اِنَّمَاۤ اَنۡتَ مُذَکِّرٌ ﴿ؕ۲۱﴾ |
| ২১. বেশ (হে নবী!) তাহলে তুমি উপদেশ দিয়ে যেতে থাকো। তুমি তো শুধু মাত্র একজন উপদেশক, |
| لَسۡتَ عَلَیۡہِمۡ بِمُصَۜیۡطِرٍ ﴿ۙ۲۲﴾ |
| ২২. এদের উপর বল প্রয়োগকারী নও। |
| اِلَّا مَنۡ تَوَلّٰی وَ کَفَرَ ﴿ۙ۲۳﴾ |
| ২৩. তবে যে ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং অস্বীকার করবে, |
| فَیُعَذِّبُہُ اللّٰہُ الۡعَذَابَ الۡاَکۡبَرَ ﴿ؕ۲۴﴾ |
| ২৪. আল্লাহ তাকে মহাশাস্তি দান করবেন। |
| اِنَّ اِلَیۡنَاۤ اِیَابَہُمۡ ﴿ۙ۲۵﴾ |
| ২৫. অবশ্যি এদের আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। |
| ثُمَّ اِنَّ عَلَیۡنَا حِسَابَہُمۡ ﴿٪۲۶﴾ |
| ২৬. তারপর এদের হিসেব নেয়া হবে আমারই দায়িত্ব। |
সূরা ৮৯ — আল ফজর
| وَ الۡفَجۡرِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. ফজরের কসম, |
| وَ لَیَالٍ عَشۡرٍ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. দশটি রাতের, |
| وَّ الشَّفۡعِ وَ الۡوَتۡرِ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. জোড় ও বেজোড়ের |
| وَ الَّیۡلِ اِذَا یَسۡرِ ۚ﴿۴﴾ |
| ৪. এবং রাতের কসম যখন তা বিদায় নিতে থাকে। |
| ہَلۡ فِیۡ ذٰلِکَ قَسَمٌ لِّذِیۡ حِجۡرٍ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. এর মধ্যে কোন বুদ্ধিমানের জন্য কি কোন কসম আছে? |
| اَلَمۡ تَرَ کَیۡفَ فَعَلَ رَبُّکَ بِعَادٍ ۪ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. তুমি কি দেখনি |
| اِرَمَ ذَاتِ الۡعِمَادِ ۪ۙ﴿۷﴾ |
| ৭. তোমার রব সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী আদে-ইরামের সাথে কি আচরণ করেছেন, |
| الَّتِیۡ لَمۡ یُخۡلَقۡ مِثۡلُہَا فِی الۡبِلَادِ ۪ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. যাদের মতো কোন জাতি দুনিয়ার কোন দেশে সৃষ্টি করা হয়নি? |
| وَ ثَمُوۡدَ الَّذِیۡنَ جَابُوا الصَّخۡرَ بِالۡوَادِ ۪ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. আর সামূদের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণকরেছিল? |
| وَ فِرۡعَوۡنَ ذِی الۡاَوۡتَادِ ﴿۪ۙ۱۰﴾ |
| ১০. আর কীলকধারী ফেরাউনের সাথে? |
| الَّذِیۡنَ طَغَوۡا فِی الۡبِلَادِ ﴿۪ۙ۱۱﴾ |
| ১১. এরা দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে বড়ই সীমালংঘন করেছিল |
| فَاَکۡثَرُوۡا فِیۡہَا الۡفَسَادَ ﴿۪ۙ۱۲﴾ |
| ১২. এবং সেখানে বহু বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। |
| فَصَبَّ عَلَیۡہِمۡ رَبُّکَ سَوۡطَ عَذَابٍ ﴿ۚۙ۱۳﴾ |
| ১৩. অবশেষে তোমার রব তাদের ওপর আযাবের কশাঘাত করলেন। |
| اِنَّ رَبَّکَ لَبِالۡمِرۡصَادِ ﴿ؕ۱۴﴾ |
| ১৪. আসলে তোমার রব ওঁৎপেতে আছেন। |
| فَاَمَّا الۡاِنۡسَانُ اِذَا مَا ابۡتَلٰىہُ رَبُّہٗ فَاَکۡرَمَہٗ وَ نَعَّمَہٗ ۬ۙ فَیَقُوۡلُ رَبِّیۡۤ اَکۡرَمَنِ ﴿ؕ۱۵﴾ |
| ১৫. কিন্তু মানুষের অবস্থা হচ্ছে এই যে, তার রব যখন তাকে পরীক্ষায় ফেলেন এবং তাকে সম্মান ও নিয়ামত দান করেন তখন সে বলে, আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন। |
| وَ اَمَّاۤ اِذَا مَا ابۡتَلٰىہُ فَقَدَرَ عَلَیۡہِ رِزۡقَہٗ ۬ۙ فَیَقُوۡلُ رَبِّیۡۤ اَہَانَنِ ﴿ۚ۱۶﴾ |
| ১৬. আবার যখন তিনি তাকে পরীক্ষায় ফেলেন এবং তার রিযিক তার জন্য সংকীর্ণ করে দেন তখন সে বলে, আমার রব আমাকে হেয় করেছেন। |
| کَلَّا بَلۡ لَّا تُکۡرِمُوۡنَ الۡیَتِیۡمَ ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. কখনোই নয়, বরং তোমরা এতিমের সাথে সম্মানজনক ব্যবহার কর না |
| وَ لَا تَحٰٓضُّوۡنَ عَلٰی طَعَامِ الۡمِسۡکِیۡنِ ﴿ۙ۱۸﴾ |
| ১৮. এবং মিসকীনকে খাওয়াবার জন্য পরস্পরকে উৎসাহিত কর না। |
| وَ تَاۡکُلُوۡنَ التُّرَاثَ اَکۡلًا لَّمًّا ﴿ۙ۱۹﴾ |
| ১৯. তোমরা মীরাসের সব ধন-সম্পদ সম্পূর্ণরূপে খেয়ে ফেলো |
| وَّ تُحِبُّوۡنَ الۡمَالَ حُبًّا جَمًّا ﴿ؕ۲۰﴾ |
| ২০. এবং এই ধন-সম্পদের প্রেমে তোমরা মারাত্মকভাবে বাঁধা পড়েছ। |
| کَلَّاۤ اِذَا دُکَّتِ الۡاَرۡضُ دَکًّا دَکًّا ﴿ۙ۲۱﴾ |
| ২১. কখনই নয়, পৃথিবীকে যখন চূর্ণবিচূর্ণ করে বালুকাময় করে দেয়া হবে |
| وَّ جَآءَ رَبُّکَ وَ الۡمَلَکُ صَفًّا صَفًّا ﴿ۚ۲۲﴾ |
| ২২. এবং তোমার রব এমন অবস্থায় দেখা দেবেন। যখন ফেরেশতারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে। |
| وَ جِایۡٓءَ یَوۡمَئِذٍۭ بِجَہَنَّمَ ۬ۙ یَوۡمَئِذٍ یَّتَذَکَّرُ الۡاِنۡسَانُ وَ اَنّٰی لَہُ الذِّکۡرٰی ﴿ؕ۲۳﴾ |
| ২৩. সেদিন জাহান্নামকে সামনে আনা হবে। |
| یَقُوۡلُ یٰلَیۡتَنِیۡ قَدَّمۡتُ لِحَیَاتِیۡ ﴿ۚ۲۴﴾ |
| ২৪. সেদিন মানুষ বুঝবে কিন্তু তার বুঝতে পারায় কী লাভ? সে বলবে, হায়, যদি আমি নিজের জীবনের জন্য কিছু আগাম ব্যবস্থা করতাম! |
| فَیَوۡمَئِذٍ لَّا یُعَذِّبُ عَذَابَہٗۤ اَحَدٌ ﴿ۙ۲۵﴾ |
| ২৫. সেদিন আল্লাহ যে শাস্তি দেবেন তেমন শাস্তি কেউ দিতে পারবে না। |
| وَّ لَا یُوۡثِقُ وَ ثَاقَہٗۤ اَحَدٌ ﴿ؕ۲۶﴾ |
| ২৬. এবং আল্লাহ যেমন বাঁধবেন আর কেউ তেমন বাঁধতে পারবে না। |
| یٰۤاَیَّتُہَا النَّفۡسُ الۡمُطۡمَئِنَّۃُ ﴿٭ۖ۲۷﴾ |
| ২৭. (অন্যদিকে বলা হবে) হে প্রশান্ত আত্মা! |
| ارۡجِعِیۡۤ اِلٰی رَبِّکِ رَاضِیَۃً مَّرۡضِیَّۃً ﴿ۚ۲۸﴾ |
| ২৮. চলো তোমার রবের দিকে, এমন অবস্থায় যে তুমি (নিজের শুভ পরিণতিতে) সন্তুষ্ট (এবং তোমরা রবের) প্রিয়পাত্র। |
| فَادۡخُلِیۡ فِیۡ عِبٰدِیۡ ﴿ۙ۲۹﴾ |
| ২৯. শামিল হয়ে যাও আমার (নেক) বান্দাদের মধ্যে |
| وَ ادۡخُلِیۡ جَنَّتِیۡ ﴿٪۳۰﴾ |
| ৩০. এবং প্রবেশ করো আমার জান্নাতে। |
সূরা ৯০ — আল বালাদ
| لَاۤ اُقۡسِمُ بِہٰذَا الۡبَلَدِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. না, আমি কসম খাচ্ছি এই নগরের। |
| وَ اَنۡتَ حِلٌّۢ بِہٰذَا الۡبَلَدِ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. আর অবস্থা হচ্ছে এই যে (হে নবী!) তোমাকে এই নগরে হালাল করে নেয়া হয়েছে। |
| وَ وَالِدٍ وَّ مَا وَلَدَ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. কসম খাচ্ছি বাপের এবং তার ঔরসে যে সন্তান জন্ম নিয়েছে তার। |
| لَقَدۡ خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ فِیۡ کَبَدٍ ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. আসলে আমি মানুষকে কষ্ট ও পরিশ্রমের মধ্যে সৃষ্টি করেছি। |
| اَیَحۡسَبُ اَنۡ لَّنۡ یَّقۡدِرَ عَلَیۡہِ اَحَدٌ ۘ﴿۵﴾ |
| ৫. সে কি মনে করে রেখেছে, তার ওপর কেউ জোর খাটাতে পারবে না? |
| یَقُوۡلُ اَہۡلَکۡتُ مَالًا لُّبَدًا ؕ﴿۶﴾ |
| ৬. সে বলে, আমি প্রচুর ধন সম্পদ উড়িয়ে দিয়েছি। |
| اَیَحۡسَبُ اَنۡ لَّمۡ یَرَہٗۤ اَحَدٌ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. সে কি মনে করে কেউ তাকে দেখেনি? |
| اَلَمۡ نَجۡعَلۡ لَّہٗ عَیۡنَیۡنِ ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. আমি কি তাকে দু’টি চোখ, |
| وَ لِسَانًا وَّ شَفَتَیۡنِ ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. একটি জিহ্বা ও দু’টি ঠোঁট দেইনি? |
| وَ ہَدَیۡنٰہُ النَّجۡدَیۡنِ ﴿ۚ۱۰﴾ |
| ১০. আমি কি তাকে দু’টি সুস্পষ্ট পথ দেখাইনি? |
| فَلَا اقۡتَحَمَ الۡعَقَبَۃَ ﴿۫ۖ۱۱﴾ |
| ১১. কিন্তু সে দুর্গম গিরিপথ অতিক্রম করার সহস করেনি। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا الۡعَقَبَۃُ ﴿ؕ۱۲﴾ |
| ১২. তুমি কি জানো সেই দুর্গম গিরিপথটি কি? |
| فَکُّ رَقَبَۃٍ ﴿ۙ۱۳﴾ |
| ১৩. কোন গলাকে দাসত্বমুক্ত করা |
| اَوۡ اِطۡعٰمٌ فِیۡ یَوۡمٍ ذِیۡ مَسۡغَبَۃٍ ﴿ۙ۱۴﴾ |
| ১৪. অথবা অনাহারের দিন |
| یَّتِیۡمًا ذَا مَقۡرَبَۃٍ ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. কোন নিকটবর্তী এতিম |
| اَوۡ مِسۡکِیۡنًا ذَا مَتۡرَبَۃٍ ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. বা ধূলি মলিন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো। |
| ثُمَّ کَانَ مِنَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ تَوَاصَوۡا بِالصَّبۡرِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡمَرۡحَمَۃِ ﴿ؕ۱۷﴾ |
| ১৭. তারপর (এই সঙ্গে) তাদের মধ্যে শামিল হওয়া যারা ঈমান এনেছে এবং যারা পরস্পরকে সবর ও (আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি) রহম করার উপদেশ দেয়। |
| اُولٰٓئِکَ اَصۡحٰبُ الۡمَیۡمَنَۃِ ﴿ؕ۱۸﴾ |
| ১৮. এরাই ডানপন্থী। |
| وَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِاٰیٰتِنَا ہُمۡ اَصۡحٰبُ الۡمَشۡـَٔمَۃِ ﴿ؕ۱۹﴾ |
| ১৯. আর যারা আমার আয়াত মানতে অস্বীকার করেছে তারা বামপন্থী। |
| عَلَیۡہِمۡ نَارٌ مُّؤۡصَدَۃٌ ﴿٪۲۰﴾ |
| ২০. এদের ওপর আগুন ছেয়ে থাকবে। |
সূরা ৯১ — আশ শামস
| وَ الشَّمۡسِ وَ ضُحٰہَا ۪ۙ﴿۱﴾ |
| ১. সূর্যের ও তার রোদের কসম। |
| وَ الۡقَمَرِ اِذَا تَلٰىہَا ۪ۙ﴿۲﴾ |
| ২. চাঁদের কসম যখন তা সূর্যের পেছনে পেছনে আসে। |
| وَ النَّہَارِ اِذَا جَلّٰىہَا ۪ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. দিনের কসম যখন তা (সূর্যকে) প্রকাশ করে। |
| وَ الَّیۡلِ اِذَا یَغۡشٰىہَا ۪ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. রাতের কসম যখন তা (সূর্যকে) ঢেকে নেয়। |
| وَ السَّمَآءِ وَ مَا بَنٰہَا ۪ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. আকাশের ও সেই সত্তার কসম যিনি তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। |
| وَ الۡاَرۡضِ وَ مَا طَحٰہَا ۪ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. পৃথিবীর ও সেই সত্তার কসম যিনি তাকে বিছিয়েছেন। |
| وَ نَفۡسٍ وَّ مَا سَوّٰىہَا ۪ۙ﴿۷﴾ |
| ৭. মানুষের নফসের ও সেই সত্তার কসম যিনি তাকে ঠিকভাবে গঠন করেছেন। |
| فَاَلۡہَمَہَا فُجُوۡرَہَا وَ تَقۡوٰىہَا ۪ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. তারপর তার পাপ ও তার তাকওয়া তার প্রতি ইলহাম করেছেন। |
| قَدۡ اَفۡلَحَ مَنۡ زَکّٰىہَا ۪ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. নিঃসন্দেহে সফল হয়ে গেছে সেই ব্যক্তির নফসকে পরিশুদ্ধ করেছে |
| وَ قَدۡ خَابَ مَنۡ دَسّٰىہَا ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. এবং যে তাকে দাবিয়ে দিয়েছে সে ব্যর্থ হয়েছে। |
| کَذَّبَتۡ ثَمُوۡدُ بِطَغۡوٰىہَاۤ ﴿۪ۙ۱۱﴾ |
| ১১. সামূদ জাতি বিদ্রোহের কারণে মিথ্যা আরোপ করলো। |
| اِذِ انۡۢبَعَثَ اَشۡقٰہَا ﴿۪ۙ۱۲﴾ |
| ১২. যখন সেই জাতির সবচেয়ে বড় হতভাগ্য লোকটি ক্ষেপে গেলো, |
| فَقَالَ لَہُمۡ رَسُوۡلُ اللّٰہِ نَاقَۃَ اللّٰہِ وَ سُقۡیٰہَا ﴿ؕ۱۳﴾ |
| ১৩. আল্লাহর রসূল তাদেরকে বললোঃ সাবধান! আল্লাহর উটনীকে স্পর্শ করো না এবং তাকে পানি পান করতে (বাধা দিয়ো না) |
| فَکَذَّبُوۡہُ فَعَقَرُوۡہَا ۪۬ۙ فَدَمۡدَمَ عَلَیۡہِمۡ رَبُّہُمۡ بِذَنۡۢبِہِمۡ فَسَوّٰىہَا ﴿۪ۙ۱۴﴾ |
| ১৪. কিন্তু তারা তার কথা প্রত্যাখ্যান করলো এবং উটনীটিকে মেরে ফেললো। অবশেষে তাদের গোনাহের কারণে তাদের রব তাদের ওপর বিপদের পাহাড় চাপিয়ে দিয়ে তাদেরকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিলেন। |
| وَ لَا یَخَافُ عُقۡبٰہَا ﴿٪۱۵﴾ |
| ১৫. আর তিনি (তাঁর এই কাজের) খারাপ পরিণতির কোন ভয়ই করেন না। |
সূরা ৯২ — আল লাইল
| وَ الَّیۡلِ اِذَا یَغۡشٰی ۙ﴿۱﴾ |
| ১. রাতের কসম যখন তা ঢেকে যায়। |
| وَ النَّہَارِ اِذَا تَجَلّٰی ۙ﴿۲﴾ |
| ২. দিনের কসম যখন তা উজ্জ্বল হয়। |
| وَ مَا خَلَقَ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰۤی ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. আর সেই সত্তার কসম যিনি পুরুষ ও স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন। |
| اِنَّ سَعۡیَکُمۡ لَشَتّٰی ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. আসলে তোমাদের প্রচেষ্টা নানা ধরনের। |
| فَاَمَّا مَنۡ اَعۡطٰی وَ اتَّقٰی ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. কাজেই যে (আল্লাহর পথে) ধন সম্পদ দান করেছে, |
| وَ صَدَّقَ بِالۡحُسۡنٰی ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. (আল্লাহর নাফরমানি থেকে) দূরে থেকেছে |
| فَسَنُیَسِّرُہٗ لِلۡیُسۡرٰی ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. এবং সৎবৃত্তিকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে, তাকে আমি সহজ পথের সুযোগ- সুবিধা দেবো। |
| وَ اَمَّا مَنۡۢ بَخِلَ وَ اسۡتَغۡنٰی ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. আর যে কৃপণতা করেছে, আল্লাহ থেকে বেপরোয়া হয়ে গেছে |
| وَ کَذَّبَ بِالۡحُسۡنٰی ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. এবং সৎবৃত্তিকে মিথ্যা গণ্য করেছে, |
| فَسَنُیَسِّرُہٗ لِلۡعُسۡرٰی ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. তাকে আমি কঠিন পথের সুযোগ-সুবিধা দেবো। |
| وَ مَا یُغۡنِیۡ عَنۡہُ مَا لُہٗۤ اِذَا تَرَدّٰی ﴿ؕ۱۱﴾ |
| ১১. আর তার ধন-সম্পদ তার কোন কাজে লাগবে যখন সে ধ্বংস হয়ে যাবে? |
| اِنَّ عَلَیۡنَا لَلۡہُدٰی ﴿۫ۖ۱۲﴾ |
| ১২. নিঃসন্দেহে পথনির্দেশ দেয়া তো আমার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। |
| وَ اِنَّ لَنَا لَلۡاٰخِرَۃَ وَ الۡاُوۡلٰی ﴿۱۳﴾ |
| ১৩. আর আসলে আমি তো আখেরাত ও দুনিয়া উভয়েরই মালিক। |
| فَاَنۡذَرۡتُکُمۡ نَارًا تَلَظّٰی ﴿ۚ۱۴﴾ |
| ১৪. তাই আমি তোমাদের সাবধান করে দিয়েছি জ্বলন্ত আগুন থেকে। |
| لَا یَصۡلٰىہَاۤ اِلَّا الۡاَشۡقَی ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. যে চরম হতভাগ্য ব্যক্তি মিথ্যা আরোপ করেছে ও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে |
| الَّذِیۡ کَذَّبَ وَ تَوَلّٰی ﴿ؕ۱۶﴾ |
| ১৬. সে ছাড়া আর কেউ তাতে ঝলসে যাবে না। |
| وَ سَیُجَنَّبُہَا الۡاَتۡقَی ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. আর যে পরম মুত্তাকী ব্যক্তি পবিত্রতা অর্জনের জন্য নিজের ধন- সম্পদ দান করে |
| الَّذِیۡ یُؤۡتِیۡ مَالَہٗ یَتَزَکّٰی ﴿ۚ۱۸﴾ |
| ১৮. তাকে তা থেকে দূরে রাখা হবে। |
| وَ مَا لِاَحَدٍ عِنۡدَہٗ مِنۡ نِّعۡمَۃٍ تُجۡزٰۤی ﴿ۙ۱۹﴾ |
| ১৯. তার প্রতি কারো কোন অনুগ্রহ নেই যার প্রতিদান তাকে দিতে হবে। |
| اِلَّا ابۡتِغَآءَ وَجۡہِ رَبِّہِ الۡاَعۡلٰی ﴿ۚ۲۰﴾ |
| ২০. সেতো কেবলমাত্র নিজের রবের সন্তুষ্টি লাভের জন্য এ কাজ করে। |
| وَ لَسَوۡفَ یَرۡضٰی ﴿٪۲۱﴾ |
| ২১. আর তিনি অবশ্যি (তার প্রতি) সন্তুষ্ট হবেন। |
সূরা ৯৩ — আদ দুহা
| وَ الضُّحٰی ۙ﴿۱﴾ |
| ১. উজ্জ্বল দিনের কসম |
| وَ الَّیۡلِ اِذَا سَجٰی ۙ﴿۲﴾ |
| ২. এবং রাতের কসম যখন তা নিঝুম হয়ে যায়। |
| مَا وَدَّعَکَ رَبُّکَ وَ مَا قَلٰی ؕ﴿۳﴾ |
| ৩. (হে নবী!) তোমার রব তোমাকে কখনো পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার প্রতি অসন্তুষ্টও হননি। |
| وَ لَلۡاٰخِرَۃُ خَیۡرٌ لَّکَ مِنَ الۡاُوۡلٰی ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. নিঃসন্দেহে তোমার জন্য পরবর্তী যুগ পূর্ববর্তী যুগের চেয়ে ভালো। |
| وَ لَسَوۡفَ یُعۡطِیۡکَ رَبُّکَ فَتَرۡضٰی ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. আর শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এত দেবেন যে, তুমি খুশী হয়ে যাবে। |
| اَلَمۡ یَجِدۡکَ یَتِیۡمًا فَاٰوٰی ۪﴿۶﴾ |
| ৬. তিনি কি তোমাকে এতিম হিসেবে পাননি? তারপর তোমাকে আশ্রয় দেননি? |
| وَ وَجَدَکَ ضَآلًّا فَہَدٰی ۪﴿۷﴾ |
| ৭. তিনি তোমাকে পথ না পাওয়া অবস্থায় পান, তারপর তিনিই পথ দেখান। |
| وَ وَجَدَکَ عَآئِلًا فَاَغۡنٰی ؕ﴿۸﴾ |
| ৮. তিনি তোমাকে নিঃস্ব অবস্থায় পান, তারপর তোমাকে ধনী করেন। |
| فَاَمَّا الۡیَتِیۡمَ فَلَا تَقۡہَرۡ ؕ﴿۹﴾ |
| ৯. কাজেই এতিমের প্রতি কঠোর হয়ো না। |
| وَ اَمَّا السَّآئِلَ فَلَا تَنۡہَرۡ ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. প্রার্থীকে তিরস্কার করো না। |
| وَ اَمَّا بِنِعۡمَۃِ رَبِّکَ فَحَدِّثۡ ﴿٪۱۱﴾ |
| ১১. আর নিজের রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। |
সূরা ৯৪ — আলাম নাশরাহ
| اَلَمۡ نَشۡرَحۡ لَکَ صَدۡرَکَ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. হে নবী! আমি কি তোমার বক্ষদেশ তোমার জন্য উন্মুক্ত করে দেইনি? |
| وَ وَضَعۡنَا عَنۡکَ وِزۡرَکَ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. আমি তোমার ওপর থেকে ভারী বোঝা নামিয়ে দিয়েছি, |
| الَّذِیۡۤ اَنۡقَضَ ظَہۡرَکَ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. যা তোমার কোমর ভেঙ্গে দিচ্ছিল। |
| وَ رَفَعۡنَا لَکَ ذِکۡرَکَ ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. আর তোমার জন্য তোমার খ্যাতির কথা বুলন্দ করে দিয়েছি। |
| فَاِنَّ مَعَ الۡعُسۡرِ یُسۡرًا ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. প্রকৃত কথা এই যে, সংকীর্ণতার সাথে প্রশস্ততাও রয়েছে। |
| اِنَّ مَعَ الۡعُسۡرِ یُسۡرًا ؕ﴿۶﴾ |
| ৬. আসলে সংকীর্ণতার সাথে আছে প্রশস্ততাও। |
| فَاِذَا فَرَغۡتَ فَانۡصَبۡ ۙ﴿۷﴾ |
| ৭. কাজেই যখনই অবসর পাও ইবাদাতের কঠোর শ্রমে লেগে যাও |
| وَ اِلٰی رَبِّکَ فَارۡغَبۡ ٪﴿۸﴾ |
| ৮. এবং নিজের রবেরই প্রতি মনোযোগ দাও। |
সূরা ৯৫ — আত তীন
| وَ التِّیۡنِ وَ الزَّیۡتُوۡنِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. তীন ও যায়তূন, |
| وَ طُوۡرِ سِیۡنِیۡنَ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. সিনাই পর্বত |
| وَ ہٰذَا الۡبَلَدِ الۡاَمِیۡنِ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. এবং এই নিরাপদ নগরীর (মক্কা) কসম। |
| لَقَدۡ خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ فِیۡۤ اَحۡسَنِ تَقۡوِیۡمٍ ۫﴿۴﴾ |
| ৪. আমি মানুষকে পয়দা করেছি সর্বোত্তম কাঠামোয়। |
| ثُمَّ رَدَدۡنٰہُ اَسۡفَلَ سٰفِلِیۡنَ ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. তারপর তাকে উল্টো ফিরিয়ে নীচতমদেরও নীচে পৌঁছিয়ে দিয়েছি |
| اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ فَلَہُمۡ اَجۡرٌ غَیۡرُ مَمۡنُوۡنٍ ؕ﴿۶﴾ |
| ৬. তাদেরকে ছাড়া যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করতে থাকে। কেননা তাদের রয়েছে এমন পুরস্কার যা কোনদিন শেষ হবে না। |
| فَمَا یُکَذِّبُکَ بَعۡدُ بِالدِّیۡنِ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. কাজেই (হে নবী!) এরপর পুরস্কার ও শাস্তির ব্যাপারে কে তোমাকে মিথ্যাবাদী বলতে পারে? |
| اَلَیۡسَ اللّٰہُ بِاَحۡکَمِ الۡحٰکِمِیۡنَ ٪﴿۸﴾ |
| ৮. আল্লাহ কি সব শাসকের চাইতে বড় শাসক নন? |
সূরা ৯৬ — আল আলাক
| اِقۡرَاۡ بِاسۡمِ رَبِّکَ الَّذِیۡ خَلَقَ ۚ﴿۱﴾ |
| ১. পড়ো (হে নবী) , তোমার রবের নামে। যিনি সৃষ্টি করেছেন। |
| خَلَقَ الۡاِنۡسَانَ مِنۡ عَلَقٍ ۚ﴿۲﴾ |
| ২. জমাট বাঁধা রক্তের দলা থেকে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। |
| اِقۡرَاۡ وَ رَبُّکَ الۡاَکۡرَمُ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. পড়ো এবং তোমার রব বড় মেহেরবান, |
| الَّذِیۡ عَلَّمَ بِالۡقَلَمِ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. যিনি কলমের সাহায্যে জ্ঞান শিখিয়েছেন। |
| عَلَّمَ الۡاِنۡسَانَ مَا لَمۡ یَعۡلَمۡ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. মানুষকে এমন জ্ঞান দিয়েছেন, যা সে জানতো না। |
| کَلَّاۤ اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَیَطۡغٰۤی ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. কখনই নয়, মানুষ সীমালংঘন করে। |
| اَنۡ رَّاٰہُ اسۡتَغۡنٰی ﴿ؕ۷﴾ |
| ৭. কারণ সে নিজেকে দেখে অভাবমুক্ত। |
| اِنَّ اِلٰی رَبِّکَ الرُّجۡعٰی ؕ﴿۸﴾ |
| ৮. (অথচ) নিশ্চিতভাবেই তোমার রবের দিকেই ফিরে আসতে হবে। |
| اَرَءَیۡتَ الَّذِیۡ یَنۡہٰی ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. তুমি কি দেখেছো সেই ব্যক্তিকে |
| عَبۡدًا اِذَا صَلّٰی ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. যে এক বান্দাকে নিষেধ করে যখন সে নামায পড়ে। |
| اَرَءَیۡتَ اِنۡ کَانَ عَلَی الۡہُدٰۤی ﴿ۙ۱۱﴾ |
| ১১. তুমি কি মনে করো, যদি (সেই বান্দা) সঠিক পথে থাকে |
| اَوۡ اَمَرَ بِالتَّقۡوٰی ﴿ؕ۱۲﴾ |
| ১২. অথবা তাকওয়ার নির্দেশ দেয়? |
| اَرَءَیۡتَ اِنۡ کَذَّبَ وَ تَوَلّٰی ﴿ؕ۱۳﴾ |
| ১৩. তুমি কি মনে করো, যদি (এই নিষেধকারী সত্যের প্রতি) মিথ্যা আরোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়? |
| اَلَمۡ یَعۡلَمۡ بِاَنَّ اللّٰہَ یَرٰی ﴿ؕ۱۴﴾ |
| ১৪. সে কি জানে না, আল্লাহ দেখছেন? |
| کَلَّا لَئِنۡ لَّمۡ یَنۡتَہِ ۬ۙ لَنَسۡفَعًۢا بِالنَّاصِیَۃِ ﴿ۙ۱۵﴾ |
| ১৫. কখনই নয়, যদি সে বিরত না হয় তাহলে আমি তার কপালের দিকে চুল ধরে তাকে টানবো, |
| نَاصِیَۃٍ کَاذِبَۃٍ خَاطِئَۃٍ ﴿ۚ۱۶﴾ |
| ১৬. সেই কপালের চুল (ওয়ালা) যে মিথ্যুক ও কঠিন অপরাধকারী। |
| فَلۡیَدۡعُ نَادِیَہٗ ﴿ۙ۱۷﴾ |
| ১৭. সে তার সমর্থক দলকে ডেকে নিক |
| سَنَدۡعُ الزَّبَانِیَۃَ ﴿ۙ۱۸﴾ |
| ১৮. আমি ডেকে নিই আযাবের ফেরেশতাদেরকে। |
| کَلَّا ؕ لَا تُطِعۡہُ وَ اسۡجُدۡ وَ اقۡتَرِبۡ ﴿٪ٛ۱۹﴾ |
| ১৯. কখনই নয়, তার কথা মেনে নিয়ো না, তুমি সিজদা করো এবং (তোমার রবের) নৈকট্য অর্জন করো। |
সূরা ৯৭ — আল কাদ্র
| اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰہُ فِیۡ لَیۡلَۃِ الۡقَدۡرِ ۚ﴿ۖ۱﴾ |
| ১. আমি এ (কুরআন) নাযিল করেছি কদরের রাতে। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ؕ﴿۲﴾ |
| ২. তুমি কি জানো, কদরের রাত কি? |
| لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ۬ۙ خَیۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَہۡرٍ ؕ﴿ؔ۳﴾ |
| ৩. কদরের রাত হাজার মাসের চাইতেও বেশী ভালো। |
| تَنَزَّلُ الۡمَلٰٓئِکَۃُ وَ الرُّوۡحُ فِیۡہَا بِاِذۡنِ رَبِّہِمۡ ۚ مِنۡ کُلِّ اَمۡرٍ ۙ﴿ۛ۴﴾ |
| ৪. ফেরেশতারা ও রূহ এই রাতে তাদের রবের অনুমতিক্রমে প্রত্যেকটি হুকুম নিয়ে নাযিল হয়। |
| سَلٰمٌ ۟ۛ ہِیَ حَتّٰی مَطۡلَعِ الۡفَجۡرِ ٪﴿۵﴾ |
| ৫. এ রাতটি পুরোপুরি শান্তিময় ফজরের উদয় পর্যন্ত। |
সূরা ৯৮ — আল বাইয়েনাহ
| لَمۡ یَکُنِ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا مِنۡ اَہۡلِ الۡکِتٰبِ وَ الۡمُشۡرِکِیۡنَ مُنۡفَکِّیۡنَ حَتّٰی تَاۡتِیَہُمُ الۡبَیِّنَۃُ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. আহলি কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কাফের ছিল তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ না আসা পর্যন্ত তারা (নিজেদের কুফরী থেকে) বিরত থাকতে প্রস্তুত ছিল না। |
| رَسُوۡلٌ مِّنَ اللّٰہِ یَتۡلُوۡا صُحُفًا مُّطَہَّرَۃً ۙ﴿۲﴾ |
| ২. (অর্থাৎ) আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রসূল যিনি পবিত্র সহীফা পড়ে শুনাবেন, |
| فِیۡہَا کُتُبٌ قَیِّمَۃٌ ؕ﴿۳﴾ |
| ৩. যাতে একেবারে সঠিক কথা লেখা আছে। |
| وَ مَا تَفَرَّقَ الَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡکِتٰبَ اِلَّا مِنۡۢ بَعۡدِ مَا جَآءَتۡہُمُ الۡبَیِّنَۃُ ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. প্রথমে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে তো বিভেদ সৃষ্টি হলো তাদের কাছে (সত্য পথের) সুস্পষ্ট প্রমাণ এসে যাওয়ার পর। |
| وَ مَاۤ اُمِرُوۡۤا اِلَّا لِیَعۡبُدُوا اللّٰہَ مُخۡلِصِیۡنَ لَہُ الدِّیۡنَ ۬ۙ حُنَفَآءَ وَ یُقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ یُؤۡتُوا الزَّکٰوۃَ وَ ذٰلِکَ دِیۡنُ الۡقَیِّمَۃِ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. তাদেরকে তো এছাড়া আর কোন হুকুম দেয়া হয়নি যে, তারা নিজেদের দ্বীনকে একমাত্র আল্লাহর জন্য নির্ধারিত করে একনিষ্ঠভাবে তাঁর ইবাদাত করবে, নামায কায়েম করবে ও যাকাত দেবে, এটিই যথার্থ সত্য ও সঠিক দ্বীন। |
| اِنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا مِنۡ اَہۡلِ الۡکِتٰبِ وَ الۡمُشۡرِکِیۡنَ فِیۡ نَارِ جَہَنَّمَ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَا ؕ اُولٰٓئِکَ ہُمۡ شَرُّ الۡبَرِیَّۃِ ؕ﴿۶﴾ |
| ৬. আহলি কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কুফরী করেছে তারা নিশ্চিতভাবে জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে অবস্থান করবে। তারা সৃষ্টির অধম। |
| اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ۙ اُولٰٓئِکَ ہُمۡ خَیۡرُ الۡبَرِیَّۃِ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তারা নিশ্চিত ভাবে সৃষ্টির সেরা। |
| جَزَآؤُہُمۡ عِنۡدَ رَبِّہِمۡ جَنّٰتُ عَدۡنٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِہَا الۡاَنۡہٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَاۤ اَبَدًا ؕ رَضِیَ اللّٰہُ عَنۡہُمۡ وَ رَضُوۡا عَنۡہُ ؕ ذٰلِکَ لِمَنۡ خَشِیَ رَبَّہٗ ٪﴿۸﴾ |
| ৮. তাদের পুরস্কার রয়েছে তাদের রবের কাছে চিরস্থায়ী জান্নাত, যার নিম্নদেশে ঝরণাধারা প্রবাহিত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট। এসব সে ব্যক্তির জন্য যে তার রবকে ভয় করে। |
সূরা ৯৯ — আল যিলযাল
| اِذَا زُلۡزِلَتِ الۡاَرۡضُ زِلۡزَالَہَا ۙ﴿۱﴾ |
| ১. যখন পৃথিবীকে প্রবলবেগে ঝাঁকুনি দেয়া হবে। |
| وَ اَخۡرَجَتِ الۡاَرۡضُ اَثۡقَالَہَا ۙ﴿۲﴾ |
| ২. পৃথিবী তার ভেতরের সমস্ত ভার বাইরে বের করে দেবে। |
| وَ قَالَ الۡاِنۡسَانُ مَا لَہَا ۚ﴿۳﴾ |
| ৩. আর মানুষ বলবে, এর কি হয়েছে? |
| یَوۡمَئِذٍ تُحَدِّثُ اَخۡبَارَہَا ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. সেদিন সে তার নিজের (ওপর যা কিছু ঘটেছে সেই) সব অবস্থা বর্ণনা করবে। |
| بِاَنَّ رَبَّکَ اَوۡحٰی لَہَا ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. কারণ তোমার রব তাকে (এমনটি করার) হুকুম দিয়ে থাকবেন। |
| یَوۡمَئِذٍ یَّصۡدُرُ النَّاسُ اَشۡتَاتًا ۬ۙ لِّیُرَوۡا اَعۡمَالَہُمۡ ؕ﴿۶﴾ |
| ৬. সেদিন লোকেরা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় ফিরে আসবে, যাতে তাদের কৃতকর্ম তাদেরকে দেখানো যায়। |
| فَمَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ خَیۡرًا یَّرَہٗ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. তারপর যে অতি অল্প পরিমাণ ভালো কাজ করবে সে তা দেখে নেবে |
| وَ مَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ شَرًّا یَّرَہٗ ٪﴿۸﴾ |
| ৮. এবং যে অতি অল্প পরিমাণ খারাপ কাজ করবে সে তা দেখে নেবে। |
সূরা ১০০ — আল আদিয়াত
| وَ الۡعٰدِیٰتِ ضَبۡحًا ۙ﴿۱﴾ |
| ১. কসম সেই (ঘোড়া) গুলোর যারা হ্রেষারব সহকারে দৌড়ায়। |
| فَالۡمُوۡرِیٰتِ قَدۡحًا ۙ﴿۲﴾ |
| ২. তারপর (খুরের আঘাতে) আগুনের ফুলকি ঝরায়। |
| فَالۡمُغِیۡرٰتِ صُبۡحًا ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. তারপর অতর্কিত আক্রমণ চালায় প্রভাতকালে। |
| فَاَثَرۡنَ بِہٖ نَقۡعًا ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. তারপর এ সময় ধূলা উড়ায় |
| فَوَسَطۡنَ بِہٖ جَمۡعًا ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. এবং এ অবস্থায় কোন জনপদের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে। |
| اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لِرَبِّہٖ لَکَنُوۡدٌ ۚ﴿۶﴾ |
| ৬. আসলে মানুষ তার রবের প্রতি বড়ই অকৃতজ্ঞ। |
| وَ اِنَّہٗ عَلٰی ذٰلِکَ لَشَہِیۡدٌ ۚ﴿۷﴾ |
| ৭. আর সে নিজেরই এর সাক্ষী। |
| وَ اِنَّہٗ لِحُبِّ الۡخَیۡرِ لَشَدِیۡدٌ ؕ﴿۸﴾ |
| ৮. অবশ্য সে ধন দৌলতের মোহে খুব বেশী মত্ত। |
| اَفَلَا یَعۡلَمُ اِذَا بُعۡثِرَ مَا فِی الۡقُبُوۡرِ ۙ﴿۹﴾ |
| ৯. তবে কি সে সেই সময়ের কথা জানে না |
| وَ حُصِّلَ مَا فِی الصُّدُوۡرِ ﴿ۙ۱۰﴾ |
| ১০. যখন কবরের মধ্যে যা কিছু (দাফন করা) আছে সেসব বের করে আনা হবে এবং বুকের মধ্যে যা কিছু (লুকানো) আছে সব বের করে এনে যাচাই করা হবে? |
| اِنَّ رَبَّہُمۡ بِہِمۡ یَوۡمَئِذٍ لَّخَبِیۡرٌ ٪﴿۱۱﴾ |
| ১১. অবশ্য সেদিন তাদের রব তাদের সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত থাকবেন। |
সূরা ১০১ — আল কারি’আহ
| اَلۡقَارِعَۃُ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. মহাদুর্ঘটনা! |
| مَا الۡقَارِعَۃُ ۚ﴿۲﴾ |
| ২. কী সেই মহাদুর্ঘটনা? |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا الۡقَارِعَۃُ ؕ﴿۳﴾ |
| ৩. তুমি কি জানো সেই মহাদুর্ঘটনাটি কি? |
| یَوۡمَ یَکُوۡنُ النَّاسُ کَالۡفَرَاشِ الۡمَبۡثُوۡثِ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. সেদিন যখন লোকেরা ছড়িয়ে থাকা পতঙ্গের মতো |
| وَ تَکُوۡنُ الۡجِبَالُ کَالۡعِہۡنِ الۡمَنۡفُوۡشِ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. এবং পাহাড়গুলো রং বেরঙের ধূনা পশমের মতো হবে। |
| فَاَمَّا مَنۡ ثَقُلَتۡ مَوَازِیۡنُہٗ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. তারপর যার পাল্লা ভারী হবে |
| فَہُوَ فِیۡ عِیۡشَۃٍ رَّاضِیَۃٍ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. সে মনের মতো সুখী জীবন লাভ করবে |
| وَ اَمَّا مَنۡ خَفَّتۡ مَوَازِیۡنُہٗ ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. আর যার পাল্লা হালকা হবে |
| فَاُمُّہٗ ہَاوِیَۃٌ ؕ﴿۹﴾ |
| ৯. তার আবাস হবে গভীর খাদ। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا ہِیَہۡ ﴿ؕ۱۰﴾ |
| ১০. আর তুমি কি জানো সেটি কি? |
| نَارٌ حَامِیَۃٌ ﴿٪۱۱﴾ |
| ১১. (সেটি) জ্বলন্ত আগুন। |
সূরা ১০২ — আত তাকাসুর
| اَلۡہٰکُمُ التَّکَاثُرُ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. বেশী বেশী এবং একে অপরের থেকে বেশী দুনিয়ার স্বার্থ লাভ করার মোহ তোমাদের গাফলতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। |
| حَتّٰی زُرۡتُمُ الۡمَقَابِرَ ؕ﴿۲﴾ |
| ২. এমনকি (এই চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে) তোমরা কবর পর্যন্ত পৌঁছে যাও। |
| کَلَّا سَوۡفَ تَعۡلَمُوۡنَ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. কখ্খনো না, শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে। |
| ثُمَّ کَلَّا سَوۡفَ تَعۡلَمُوۡنَ ؕ﴿۴﴾ |
| ৪. আবার (শুনে নাও) কখ্খনো না শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে। |
| کَلَّا لَوۡ تَعۡلَمُوۡنَ عِلۡمَ الۡیَقِیۡنِ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. কখ্খনো না, যদি তোমরা নিশ্চিত জ্ঞানের ভিত্তিতে (এই আচরণের পরিণাম) জানতে (তাহলে তোমরা এ ধরনের কাজ করতে না)। |
| لَتَرَوُنَّ الۡجَحِیۡمَ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. তোমরা জাহান্নাম দেখবেই। |
| ثُمَّ لَتَرَوُنَّہَا عَیۡنَ الۡیَقِیۡنِ ۙ﴿۷﴾ |
| ৭. আবার (শুনে নাও) তোমরা একেবারে স্থির নিশ্চিতভাবে তা দেখবেই। |
| ثُمَّ لَتُسۡـَٔلُنَّ یَوۡمَئِذٍ عَنِ النَّعِیۡمِ ٪﴿۸﴾ |
| ৮. তারপর অবশ্যই সেদিন তোমাদের এই নিয়ামতগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। |
সূরা ১০৩ — আল আসর
| وَ الۡعَصۡرِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. সময়ের কসম। |
| اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. মানুষ আসলে বড়ই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। |
| اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ ۬ۙ وَ تَوَاصَوۡا بِالصَّبۡرِ ٪﴿۳﴾ |
| ৩. তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করতে থেকেছে এবং একজন অন্যজনকে হক কথার ও সবর করার উপদেশ দিতে থেকেছে। |
সূরা ১০৪ — আল হুমাযা
| وَیۡلٌ لِّکُلِّ ہُمَزَۃٍ لُّمَزَۃِۣ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. ধবংশ এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যে (সামনা সামনি) লোকদের ধিক্কার দেয় এবং (পেছনে) নিন্দা করতে অভ্যস্ত। |
| الَّذِیۡ جَمَعَ مَالًا وَّ عَدَّدَہٗ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. যে অর্থ জমায় এবং তা গুণে গুণে রাখে। |
| یَحۡسَبُ اَنَّ مَالَہٗۤ اَخۡلَدَہٗ ۚ﴿۳﴾ |
| ৩. সে মনে করে তার অর্থ-সম্পদ চিরকাল থাকবে। |
| کَلَّا لَیُنۡۢبَذَنَّ فِی الۡحُطَمَۃِ ۫﴿ۖ۴﴾ |
| ৪. কখনো নয়, তাকে তো চূর্ণ-বিচূর্ণকারী জায়গায় ফেলে দেয়া হবে। |
| وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا الۡحُطَمَۃُ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. আর তুমি কি জানো সেই চূর্ণ-বিচূর্ণকারী জায়গাটি কি? |
| نَارُ اللّٰہِ الۡمُوۡقَدَۃُ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. আল্লাহর আগুন, প্রচণ্ডভাবে উৎক্ষিপ্ত, |
| الَّتِیۡ تَطَّلِعُ عَلَی الۡاَفۡـِٕدَۃِ ؕ﴿۷﴾ |
| ৭. যা হৃদয় অভ্যন্তরে পৌঁছে যাবে। |
| اِنَّہَا عَلَیۡہِمۡ مُّؤۡصَدَۃٌ ۙ﴿۸﴾ |
| ৮. তা তাদের ওপর ঢেকে দিয়ে বন্ধ করা হবে |
| فِیۡ عَمَدٍ مُّمَدَّدَۃٍ ٪﴿۹﴾ |
| ৯. (এমন অবস্থায় যে তা) উঁচু উঁচু থামে (ঘেরাও হয়ে থাকবো)। |
সূরা ১০৫ — আল ফীল
| اَلَمۡ تَرَ کَیۡفَ فَعَلَ رَبُّکَ بِاَصۡحٰبِ الۡفِیۡلِ ؕ﴿۱﴾ |
| ১. তুমি কি দেখনি তোমার রব হাতিওয়ালাদের সাথে কি করেছেন? |
| اَلَمۡ یَجۡعَلۡ کَیۡدَہُمۡ فِیۡ تَضۡلِیۡلٍ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. তিনি কি তাদের কৌশল ব্যর্থ করে দেননি? |
| وَّ اَرۡسَلَ عَلَیۡہِمۡ طَیۡرًا اَبَابِیۡلَ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. আর তাদের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি পাঠান, |
| تَرۡمِیۡہِمۡ بِحِجَارَۃٍ مِّنۡ سِجِّیۡلٍ ۪ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. যারা তাদের ওপর নিক্ষেপ করছিল পোড়া মাটির পাথর। |
| فَجَعَلَہُمۡ کَعَصۡفٍ مَّاۡکُوۡلٍ ٪﴿۵﴾ |
| ৫. তারপর তাদের অবস্থা করে দেন পশুর খাওয়া ভূষির মতো। |
সূরা ১০৬ — কুরাইশ
| لِاِیۡلٰفِ قُرَیۡشٍ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. যেহেতু কুরাইশরা অভ্যস্ত হয়েছে, |
| اٖلٰفِہِمۡ رِحۡلَۃَ الشِّتَآءِ وَ الصَّیۡفِ ۚ﴿۲﴾ |
| ২. (অর্থাৎ) শীতের ও গ্রীষ্মের সফরে অভ্যস্ত। |
| فَلۡیَعۡبُدُوۡا رَبَّ ہٰذَا الۡبَیۡتِ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. কাজেই তাদের এই ঘরের রবের ইবাদাত করা উচিত, |
| الَّذِیۡۤ اَطۡعَمَہُمۡ مِّنۡ جُوۡعٍ ۬ۙ وَّ اٰمَنَہُمۡ مِّنۡ خَوۡفٍ ٪﴿۴﴾ |
| ৪. যিনি তাদেরকে ক্ষুধা থেকে রেহাই দিয়ে খাবার দিয়েছেন এবং ভীতি থেকে নিরাপত্তা দান করেছেন। |
সূরা ১০৭ — আল মাউন
| اَرَءَیۡتَ الَّذِیۡ یُکَذِّبُ بِالدِّیۡنِ ؕ﴿۱﴾ |
| ১. তুমি কি তাকে দেখেছো। যে আখেরাতের পুরস্কার ও শাস্তিকে মিথ্যা বলছে? |
| فَذٰلِکَ الَّذِیۡ یَدُعُّ الۡیَتِیۡمَ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. সে-ই তো এতিমকে ধাক্কা দেয় |
| وَ لَا یَحُضُّ عَلٰی طَعَامِ الۡمِسۡکِیۡنِ ؕ﴿۳﴾ |
| ৩. এবং মিসকিনকে খাবার দিতে উদ্বুদ্ধ করে না। |
| فَوَیۡلٌ لِّلۡمُصَلِّیۡنَ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. তারপর সেই নামাযীদের জন্য ধ্বংস, |
| الَّذِیۡنَ ہُمۡ عَنۡ صَلَاتِہِمۡ سَاہُوۡنَ ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. যারা নিজেদের নামাযের ব্যাপারে গাফলতি করে |
| الَّذِیۡنَ ہُمۡ یُرَآءُوۡنَ ۙ﴿۶﴾ |
| ৬. যারা লোক দেখানো কাজ করে |
| وَ یَمۡنَعُوۡنَ الۡمَاعُوۡنَ ٪﴿۷﴾ |
| ৭. এবং মামুলি প্রয়োজনের জিনিসপাতি (লোকদেরকে) দিতে বিরত থাকে। |
সূরা ১০৮ — আল কাউসার
| اِنَّاۤ اَعۡطَیۡنٰکَ الۡکَوۡثَرَ ؕ﴿۱﴾ |
| ১. (হে নবী!) আমি তোমাকে কাউসার দান করেছি। |
| فَصَلِّ لِرَبِّکَ وَ انۡحَرۡ ؕ﴿۲﴾ |
| ২. কাজেই তুমি নিজের রবেরই জন্য নামায পড়ো ও কুরবানী করো। |
| اِنَّ شَانِئَکَ ہُوَ الۡاَبۡتَرُ ٪﴿۳﴾ |
| ৩. তোমার দুশমনই শিকড় কাটা। |
সূরা ১০৯ — আল কাফিরূন
| قُلۡ یٰۤاَیُّہَا الۡکٰفِرُوۡنَ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. বলে দাও, হে কাফেররা! |
| لَاۤ اَعۡبُدُ مَا تَعۡبُدُوۡنَ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. আমি তাদের ইবাদাত করি না যাদের ইবাদাত তোমরা করো। |
| وَ لَاۤ اَنۡتُمۡ عٰبِدُوۡنَ مَاۤ اَعۡبُدُ ۚ﴿۳﴾ |
| ৩. আর না তোমরা তাঁর ইবাদাত করো যাঁর ইবাদাত আমি করি। |
| وَ لَاۤ اَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدۡتُّمۡ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. আর না আমি তাদের ইবাদাত করবো যাদের ইবাদাত তোমরা করে আসছো। |
| وَ لَاۤ اَنۡتُمۡ عٰبِدُوۡنَ مَاۤ اَعۡبُدُ ؕ﴿۵﴾ |
| ৫. আর না তোমরা তাঁর ইবাদাত করবে যাঁর ইবাদাত আমি করি। |
| لَکُمۡ دِیۡنُکُمۡ وَلِیَ دِیۡنِ ٪﴿۶﴾ |
| ৬. তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য এবং আমার দ্বীন আমার জন্য। |
সূরা ১১০ — আন নসর
| اِذَا جَآءَ نَصۡرُ اللّٰہِ وَ الۡفَتۡحُ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. যখন আল্লাহর সাহায্য এসে যায় এবং বিজয় লাভ হয়, |
| وَ رَاَیۡتَ النَّاسَ یَدۡخُلُوۡنَ فِیۡ دِیۡنِ اللّٰہِ اَفۡوَاجًا ۙ﴿۲﴾ |
| ২. আর (হে নবী!) তুমি (যদি) দেখ যে লোকেরা দলে দলে আল্লাহর দ্বীন গ্রহণ করছে |
| فَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّکَ وَ اسۡتَغۡفِرۡہُ ؕؔ اِنَّہٗ کَانَ تَوَّابًا ٪﴿۳﴾ |
| ৩. তখন তুমি তোমার রবের হামদ সহকারে তাঁর তাসবীহ পড়ো এবং তাঁর কাছে মাগফিরাত চাও। অবশ্যি তিনি বড়ই তাওবা কবুলকারী। |
সূরা ১১১ — আল লাহাব
| تَبَّتۡ یَدَاۤ اَبِیۡ لَہَبٍ وَّ تَبَّ ؕ﴿۱﴾ |
| ১. ভেঙে গেছে আবু লাহাবের হাত এবং ব্যর্থ হয়েছে সে। |
| مَاۤ اَغۡنٰی عَنۡہُ مَالُہٗ وَ مَا کَسَبَ ؕ﴿۲﴾ |
| ২. তার ধন-সম্পদ এবং যা কিছু সে উপার্জন করেছে তা তার কোন কাজে লাগেনি। |
| سَیَصۡلٰی نَارًا ذَاتَ لَہَبٍ ۚ﴿ۖ۳﴾ |
| ৩. অবশ্যই সেই লেলিহান আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে। |
| وَّ امۡرَاَتُہٗ ؕ حَمَّالَۃَ الۡحَطَبِ ۚ﴿۴﴾ |
| ৪. এবং (তার সাথে) তার স্ত্রীও, লাগানো ভাঙানো চোগলখুরী করে বেড়ানো যার কাজ, |
| فِیۡ جِیۡدِہَا حَبۡلٌ مِّنۡ مَّسَدٍ ٪﴿۵﴾ |
| ৫. তার গলায় থাকবে খেজুর ডালের আঁশের পাকানো শক্ত রশি। |
সূরা ১১২ — আল ইখলাস
| قُلۡ ہُوَ اللّٰہُ اَحَدٌ ۚ﴿۱﴾ |
| ১. বলো, তিনি আল্লাহ, একক। |
| اَللّٰہُ الصَّمَدُ ۚ﴿۲﴾ |
| ২. আল্লাহ কারোর ওপর নির্ভরশীল নন এবং সবাই তাঁর ওপর নির্ভরশীল। |
| لَمۡ یَلِدۡ ۬ۙ وَ لَمۡ یُوۡلَدۡ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. তাঁর কোন সন্তান নেই এবং তিনি কারোর সন্তান নন। |
| وَ لَمۡ یَکُنۡ لَّہٗ کُفُوًا اَحَدٌ ٪﴿۴﴾ |
| ৪. এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। |
সূরা ১১৩ — আল ফালাক
| قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. বলো, আশ্রয় চাচ্ছি আমি প্রভাতের রবের, |
| مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. এমন প্রত্যেকটি জিনিসের অনিষ্টকারিতা থেকে যা তিনি সৃষ্টি করেছেন। |
| وَ مِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. এবং রাতের অন্ধকারের অনিষ্টকারিতা থেকে, যখন তা ছেয়ে যায়। |
| وَ مِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِی الۡعُقَدِ ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. আর গিরায় ফুঁৎকারদানকারীদের (বা কারিনীদের) অনিষ্টকারিতা থেকে। |
| وَ مِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ٪﴿۵﴾ |
| ৫. এবং হিংসুকের অনিষ্টকারিতা থেকে, যখন সে হিংসা করে। |
সূরা ১১৪ — আন নাস
| قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ﴿۱﴾ |
| ১. বলো, আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের রব, |
| مَلِکِ النَّاسِ ۙ﴿۲﴾ |
| ২. মানুষের বাদশাহ, |
| اِلٰہِ النَّاسِ ۙ﴿۳﴾ |
| ৩. মানুষের প্রকৃত মাবুদের কাছে, |
| مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ ۬ۙ الۡخَنَّاسِ ۪ۙ﴿۴﴾ |
| ৪. এমন প্ররোচনা দানকারীর অনিষ্ট থেকে |
| الَّذِیۡ یُوَسۡوِسُ فِیۡ صُدُوۡرِ النَّاسِ ۙ﴿۵﴾ |
| ৫. যে বারবার ফিরে আসে, যে মানুষের মনে প্ররোচনা দান করে, |
| مِنَ الۡجِنَّۃِ وَ النَّاسِ ٪﴿۶﴾ |
| ৬. সে জিনের মধ্য থেকে হোক বা মানুষের মধ্য থেকে। |